ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ৫:৩১:৩৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল

বিশ্বের অষ্টম দূষিত শহর ঢাকা, শীর্ষে দিল্লি

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:১৫ পিএম, ২৪ মে ২০২৬ রবিবার

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে বায়ুদূষণ। বিশ্বের প্রধান শহরগুলোর মধ্যে বায়ুমানের দিক থেকে আজ রোববার সকালে আবারও শীর্ষে উঠে এসেছে ভারতের রাজধানী দিল্লি। একই সময়ে বৈশ্বিক দূষণের তালিকায় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা অবস্থান করছে অষ্টম স্থানে, যা নগরবাসীর স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান IQAir–এর রিয়েল-টাইম তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল সোয়া ৭টায় দিল্লির বায়ুমান সূচক (AQI) ছিল ১৭৩, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত। ১৭০ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কঙ্গোর কিনশাসা। ১৬৫ স্কোর নিয়ে যৌথভাবে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে চিলির সান্তিয়াগো ও ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা। এছাড়া ১৬১ স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর।


একই সময়ে ঢাকার বায়ুমানের স্কোর রেকর্ড করা হয়েছে ১০৮, যা IQAir-এর মানদণ্ড অনুযায়ী ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’। অর্থাৎ সাধারণ মানুষের জন্য তাৎক্ষণিক বড় ঝুঁকি না থাকলেও শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী নারী এবং শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা বা হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য এই বাতাস ক্ষতিকর হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ অবস্থায় অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়া, বাইরে গেলে ভালো মানের মাস্ক ব্যবহার করা এবং দীর্ঘ সময় খোলা পরিবেশে অবস্থান এড়িয়ে চলা উচিত। চিকিৎসকদের মতে, দূষিত বাতাসে দীর্ঘমেয়াদি সংস্পর্শে থাকলে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, ফুসফুসের কার্যক্ষমতা হ্রাস, হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি এবং শিশুদের বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

IQAir-এর সূচক অনুযায়ী, ০ থেকে ৫০ স্কোর হলে বাতাসের মান ভালো, ৫১ থেকে ১০০ গ্রহণযোগ্য, ১০১ থেকে ১৫০ সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা সবার জন্যই অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। সে হিসেবে ঢাকার বর্তমান অবস্থান সতর্কবার্তা দিচ্ছে।

পরিবেশবিদদের মতে, নির্মাণকাজের ধুলা, পুরোনো যানবাহনের ধোঁয়া, ইটভাটার নির্গমন, শিল্পকারখানার দূষণ এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণ ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান কারণ। সাধারণত শুষ্ক মৌসুমে দূষণ চরমে পৌঁছালেও বর্ষা ঘনিয়ে এলেও এবার কাঙ্ক্ষিত উন্নতি দেখা যাচ্ছে না।

মেগাসিটি ঢাকার বায়ুদূষণ এখন আর মৌসুমি সমস্যা নয়; এটি দীর্ঘমেয়াদি জনস্বাস্থ্য সংকটে রূপ নিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেকসই নগর পরিকল্পনা, দূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন প্রয়োগ এবং সবুজায়ন বাড়ানো ছাড়া এই সংকট থেকে উত্তরণের বিকল্প নেই।