ঢাকা, শুক্রবার ৩০, জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:১৪:৫৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ক্রিকেট: বিশ্বকাপ নিশ্চিতের পর স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ আবারও ছাদখোলা বাসে চ্যাম্পিয়ন সাবিনারা জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি বাংলাদেশ বিয়ের ক্ষেত্রে যে ‘বাধ্যবাধকতা’ বিলুপ্ত করছে ফ্রান্স মানবাধিকার নিশ্চিতে প্রধান উপদেষ্টাকে অ্যামনেস্টির চিঠি ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আজ আজ সারাদিন গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

মাতৃভাষা ছাড়া শিক্ষার ভিত নির্মাণ করা যায় না: জাকির হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:০৫ পিএম, ২৬ জুলাই ২০২৩ বুধবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এমপি বলেছেন, মাতৃভাষা ছাড়া শিক্ষার ভিত নির্মাণ করা যায় না।মাতৃভাষার গাঁথুনি শক্ত ও দৃঢ় হলে এর ওপর ভর করে অন্য ভাষা শেখাও সহজে সম্ভব হবে।

তিনি আজ বুধবার কুড়িগ্রাম পিটিআই মিলনায়তনে ইউএসএইডের প্রকল্প ‘এসো শিখি’র জেলা অবহিত করণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। 

জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীর মেধা, মনন ও চেতনার বিকাশে মাতৃভাষার ভূমিকা বিশাল এবং ব্যাপক। তাই শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও সাবলীলভাবে জ্ঞানার্জনে মাতৃভাষার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। 

তিনি বলেন, মাতৃভাষার গাঁথুনি শক্ত ও দৃঢ় হলে এর ওপর ভর করে অন্য ভাষা শেখাও সহজে সম্ভব হবে। তখন যে কোন ভাষায় রচিত ইতিহাস, ভূগোল, গণিত, বিজ্ঞানের গ্রন্থপাঠের মাধ্যমে জ্ঞানার্জনের পরিধি বিস্তৃত করা যাবে। এ জন্য সরকার মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বান্তবায়নে শিশুদের মাতৃভাষায় দক্ষতা অর্জনের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছে বলেও জানান তিনি।

প্রকল্পটি শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পূর্ণ সম্ভাবনার বিকাশ এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন পূরণে সহায়ত করবে বলে প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত, অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. উত্তম কুমার দাশ, পরিচালক মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার মাহফুজুল ইসলাম এবং ইউএস এইডের ডেপুটি মিশন ডিরেক্টর সোনিয়া রেনল্ডস কুপার।

৩৮ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্পের মাধ্যমে সারা দেশে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ১০ হাজার বিদ্যালয়ের ২০ হাজার শিক্ষকদের মাতৃভাষার মাধ্যমে কার্যকর শিখন-শেখানো পদ্ধতির সক্ষমতা অর্জনে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। যার মাধ্যমে ১ম থেকে ৫ম শ্রেণির প্রান্তিক শিক্ষার্থীরা মাতৃভাষা বাংলার মাধ্যমে পড়া ও শেখার দক্ষতা অর্জন করবে।