ঢাকা, মঙ্গলবার ১৭, মার্চ ২০২৬ ২২:২৭:৪০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
লম্বা ছুটিতে নাড়ির টানে বাড়ির পথে ছুটছে মানুষ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা, রণক্ষেত্র গ্রিন জোন শেষ সময়ের ঈদ বাজার: গৃহস্থালি পণ্য কিনতে ব্যস্ত ক্রেতারা ট্রাকচাপায় শিশুসহ একই পরিবারের ৩ জন নিহত কমলাপুরে ব্যাপক ভিড়, অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ট্রেন ছাড়ছে মধ্যপ্রাচ্য সংকট: শাহজালাল বিমানবন্দরে বাতিল ২৬ ফ্লাইট কিশোরগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ নিহত ৬ জাতির পিতার জন্মদিন আজ উইমেননিউজের প্রধান উপদেষ্টা রিজিয়া মান্নানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

যেসব হলে মুক্তি পেল মেহজাবীনের প্রথম সিনেমা `সাবা`

বিনোদন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:২৭ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শুক্রবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

দীর্ঘ অপেক্ষার পর দেশে মুক্তি পেল মেহজাবীন চৌধুরী অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘সাবা’। ইতোমধ্যেই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত হওয়ার পর 
আজ শুক্রবার থেকে বাংলাদেশের দর্শকরাও বড়পর্দায় দেখতে পারবেন সিনেমাটি।

গল্পে দেখা যাবে-নিখোঁজ বাবা, হুইলচেয়ারে বন্দী মা আর সীমাবদ্ধতায় ঘেরা এক তরুণীর জীবনসংগ্রাম। সেই তরুণী সাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন মেহজাবীন চৌধুরী। পরিচালকের আসনে রয়েছেন মাকসুদ হোসাইন। তার পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এটিই।

প্রথম সপ্তাহে সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্স বসুন্ধরা সিটি, এসকেএস টাওয়ার, সনি স্কয়ার, ব্লকবাস্টার সিনেমাস, শ্যামলী সিনেমা, নারায়ণগঞ্জের সিনেস্কোপ ও বগুরার মম ইন মুভি থিয়েটার–এ। প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দর্শকের সাড়া ভালো থাকলে হলের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।

চলচ্চিত্রটি নিয়ে প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন পরিচালক ও নায়িকা দুজনেই। তাদের বিশ্বাস, মা–মেয়ের সম্পর্কের আবেগঘন এই গল্প দর্শকের হৃদয়ে দীর্ঘদিন গেঁথে থাকবে।

‘সাবা’ কেন দেখা প্রয়োজন প্রশ্নে মেহজাবীন বলেন, ‘এটি শুধু মা-মেয়ের গল্প নয়। ছোটবেলায় ঘটে যাওয়া এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা তাদের জীবনকে পাল্টে দেয়। মা সীমাবদ্ধতায় বন্দী, আর সাবা বড় হতে থাকে এক দ্বিধাগ্রস্ত চরিত্রে-যেখানে ভালোবাসা, দায়িত্ব, ত্যাগ আর হারানোর ভয় একসঙ্গে লড়াই করে। আমি বিশ্বাস করি, সাবা দর্শকের মনে এক বিশেষ অনুভূতির জন্ম দেবে।’

সিনেমার গল্প এসেছে নির্মাতা মাকসুদ হোসাইনের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে। তার স্ত্রী ত্রিলোরা খানের জীবনের বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে লেখা হয়েছে গল্প ও চিত্রনাট্য। নির্মাতার ভাষায়, ‘এক সড়ক দুর্ঘটনায় আমার শাশুড়ি গুরুতর আহত হন। শ্বশুর মারা যাওয়ার পর একা মা’কে নিয়ে ত্রিলোরার সংগ্রামই পর্দায় জীবন্ত করেছি।’