ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৩, জুলাই ২০২৬ ৪:৪৩:০০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকা ছাড়াল তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ছুঁই ছুঁই তনু হত্যা মামলায় আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটকের ২ ঘণ্টা পর মুক্ত গৌরনদীতে আবাসিক মাদ্রাসা ভবনে ঝুলছিল ছাত্রীর লাশ

যৌতুকবিরোধী আইনের অপব্যবহার করছে ভারতীয় নারীরা

আপডেট: ০১:৪১ পিএম, ৪ জুলাই ২০১৪ শুক্রবার

india-map-with-flag-design-artডেস্কনিউজ, উইমেননিউজ২৪.কম ঢাকা: স্বামী ও তার  পরিবারকে হয়রানি করতে শক্তিশালী যৌতুকবিরোধী আইনের অপব্যবহার করছে ভারতীয় নারীরা। ভারতীয় সুপ্রীম কোর্ট এমনটাই জানিয়েছেন। বিচারকরা বলছেন আইনটি নারীদের সহায়তা করার জন্য কার্যকর হলেও এটা 'খেয়ালী নারীদের অস্ত্র' হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমানে আদালত কারো বিরুদ্ধে যৌতুকের অভিযোগ আনা হলে নয় দফা চেকলিস্ট অনুসরণ করার পর গ্রেফতার করতে পুলিশকে আদেশ দিয়েছেন। 'সত্য হলো এই সেকশন ৪৯৮এ একটি বিচারের এখতিয়ারভূক্ত এবং অজামিনযোগ্য অপরাধ যা এই বিধানের মহিমাকে একটি সন্দেহজনক অবস্থানে নিয়ে গেছে যখন এটা   হতাশ স্ত্রীদের রক্ষা করার বদলে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।' গত বুধবার একটি বেঞ্চের দুইজন বিচারক সি কে প্রসাদ  ও  পি সি ঘোষ আদেশে একথা বলেন। আদালত জানান, ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১২ সালে ৪৭ হাজার নয়শত ৫১ জন নারীসহ প্রায় দুই লাখ মানুষ যৌতুকের অপরাধে গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু অভিযুক্তদের মাত্র ১৫ শতাংশ সত্যিকারের অপরাধী। বিচারকরা আরও বলেন, ' হয়রানি করার সবচেয়ে সহজতম উপায় হচ্ছে স্বামী ও তার আত্মীয়স্বজনকে এই বিধানের আওতায় গ্রেফতার করানো। বেশ কিছু সংখ্যক মামলায় স্বামীর শয্যাশায়ী দাদা-দাদী এমনকি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে থাকা বোনদেরকেও গ্রেফতার করা হয়।' এই আইনটির অপব্যবহারের প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে বিচারকরা অভিযুক্তকে 'স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রেফতার নয়', বরং 'নয় দফা চেকলিস্ট' মেনে 'গ্রেফতার করার মতো প্রয়োজনীয় কারণ রয়েছে বলে মনে হলে' গ্রেফতার করার আদেশ দেন পুলিশকে। শুধু তাই নয় পুলিশ গ্রেফতার করলে একজন ম্যাজিস্ট্রেটের দ্বারা অভিযুক্তকে আটক করার জন্য অনুমোদন নিতেই হবে। আদালত এমনটাই বিধি জারি করেন। আদালত জানান, ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১২ সালে ৪৭ হাজার নয়শত ৫১ জন নারীসহ প্রায় দুই লাখ মানুষ যৌতুকের অপরাধে গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু অভিযুক্তদের মাত্র ১৫ শতাংশ সত্যিকারের অপরাধী। ভারতে ১৯৬১ সাল থেকে যৌতুক নেয়া বেআইনি হিসেবে ধরা হয়। তারপরও এর ব্যবহার  এবং যৌতুকের কারণে মৃত্যু ও হয়রানি বাড়তে থাকলে ১৯৮৩ সালে ভারতীয় প্যানাল কোড-সেকশন ৪৯৮এ একটি শক্তিশালী যৌতুকবিরোধী আইন চালু করে। বিবিসি থেকে ০৪.০৭.২০১৪Dowry