ঢাকা, সোমবার ২৯, জুন ২০২৬ ০:৩৭:৫১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীতে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার রাজধানীতে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু বিশ্বকাপ ফুটবলের শেষ ৩২-এর সূচি সমৃদ্ধ দেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দেশের ১২ অঞ্চলে বজ্রসহ ঝড়-বৃষ্টির আভাস, সতর্কবার্তা জারি তীব্র তাপপ্রবাহে কাঁপছে ইউরোপ, ঝুঁকিতে ১৫ কোটি মানুষ

রিফাত হত্যায় মিন্নি জড়িত: তদন্তকারী কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৪১ পিএম, ১৭ জুলাই ২০১৯ বুধবার

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির। আজ বুধবার এ তথ্য জানিয়ে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘মূল হত্যাকারী নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজীর সঙ্গে মিন্নি পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করে।’

হুমায়ুন কবির বলেন, ঘটনার আগের দিন মিন্নি নয়ন বন্ডদের বাড়িতে গিয়ে এই হত্যার পরিকল্পনা করে। এই হত্যাকাণ্ডের ৬ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে এই হত্যায় আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির সংশ্লিষ্টতার কথা জানায়।

দ্বিতীয় ভিডিও ফুটেজের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ফুটেজে মিন্নি রিফাত শরীফকে রক্ষার যে চেষ্টা করে সেখানে সে নয়নকে জাপটে ধরলেও নয়ন তাকে (মিন্নি) কোনো আঘাত করেনি। এটা ছিল লোক দেখানো। ঘটনার আগের দিন এবং ঘটনার আগে নয়ন বন্ডের সঙ্গে মিন্নির মুঠোফোনের আলাপ-আলোচনা থেকে এই হত্যাকাণ্ডে মিন্নির জড়িত থাকার বিষয়টির প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে।

স্বামীর হত্যাকাণ্ড নিজ চোখে দেখায় মামলায় আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিই ছিলেন ১ নম্বর সাক্ষী। যদিও রিফাত হত্যায় জড়িত প্রতীয়মান হওয়ায় তাকে গতকাল রাতে গ্রেপ্তার করে বরগুনা পুলিশ। এর আগে তিনিসহ তার পরিবারকে হেফাজতে নেয় বরগুনা পুলিশ।

গ্রেপ্তারের পর আজ মিন্নির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বরগুনার বিচারিক হাকিম মো. সিরাজুল ইসলাম গাজী এ আদেশ দেন। পরে তাকে কড়া পুলিশ প্রহরায় আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির মিন্নিকে ৭ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানান। পরে তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের মূল ফটকের সামনের রাস্তায় স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির সামনে কুপিয়ে জখম করা হয় রিফাত শরীফকে। বেলা তিনটার দিকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রিফাতের মৃত্যু হয়।

পরের দিন ওই ঘটনায় রিফাতের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বাদী হয়ে বরগুনা থানায় ১২ জনের নামে এবং চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

এ মামলায় পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত এজাহারভুক্ত সাতজন (ছয়জন জীবিত) ও সন্দেহজনক সাতজন আসামিসহ মোট ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করে। এজাহারভুক্ত গ্রেপ্তার চারজন এবং সন্দেহজনক ছয়জন আসামিসহ মোট ১০ জনকে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার হওয়া এজাহারভুক্ত দুজন এবং সন্দেহজনক একজনসহ মোট তিন আসামিকে আদালতের অনুমতিক্রমে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে এনে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এ ছাড়া এই মামলায় পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা করছে পুলিশ।