ঢাকা, বুধবার ২৫, মার্চ ২০২৬ ২:২৩:১২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
জাবি ছাত্রী শারমীন হত্যা: স্বামী ফাহিম ২ দিনের রিমান্ডে বিশ্ববাজারে আজও কমলো স্বর্ণের দাম একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতিতে কাজ করবে সরকার: শামা ওবায়েদ বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের ১০ লাখ টাকা ঋণের নির্দেশ নিউইয়র্কের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে গাড়ির সঙ্গে বিমানের সংঘর্ষ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল

শাবিতে মনোয়ারা বেগম শিক্ষা ট্রাস্ট ফান্ড-এর কার্যক্রম শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০৪:১৭ পিএম, ২২ মে ২০১৮ মঙ্গলবার

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কার্যক্রম শুরু করল মনোয়ারা বেগম ট্রাস্ট ফান্ড। ৯ মে, বুধবার কোষাধ্যক্ষের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক চুক্তির মাধ্যমে এ শিক্ষা ট্রাস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তির যোগান দেবে এই ট্রাস্ট।

 

শিক্ষা ট্রাস্ট ফান্ড’র দাতাপক্ষের প্রতিনিধিত্ব করবেন মনোয়ারা বেগমের কন্যা এ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নিলুফা আক্তার। এছাড়াও ট্রাস্টের যাবতীয় কাজে জড়িত আছেন ওই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জফির উদ্দিন। চুক্তিপত্রে সাক্ষী হিসেবে সই করেন বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আশ্রাফুল করিম।

 

চুক্তিপত্র সম্পাদনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ফরিদ উদ্দিন আহমদ এবং কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস উদ্দিন বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন। মনোয়ারা বেগম ট্রাস্ট ফান্ড বাংলা বিভাগের অভ্যন্তরীন প্রথম কোনো শিক্ষাবৃত্তি।

 

বৃত্তিদাতা মনোয়ারা বেগম চাঁদপুর জেলার লেডী প্রতিমা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষিকা। ১৯৩৫ সালের ১ মার্চ চাঁদপুর জেলার আলিমপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তাঁর জন্ম। তাঁর পিতা মরহুম সিরাজুল ইসলাম এবং স্বামী মরহুম আবদুল হাকিম উভয়ই ছিলেন সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের খ্যাতনামা আইনজীবী।

 

তিনি ১৯৫১ সালে লেডী প্রতিমা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পাশ করে। ১৯৫৬ সালে চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। এরপর ১৯৬২ সালে ইডেন কলেজ থেকে বি.এ. পাশ করার পর শিক্ষার আলো ছড়াতে নিজ পঠিত হাইস্কুলেই শিক্ষকতা শুরু করেন।

 

১৯৯৫ সালে শিক্ষকতা থেকে আনুষ্ঠানিক অবসর গ্রহণ করলেও শিক্ষার আগ্রহ ছড়িয়ে দিতে তাঁর আরো একটি প্রয়াস এই বৃত্তি। তাঁর তিন কন্যা ও দুই পুত্র স্ব-স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

 

মনোয়ারা বেগম আশা করেন এই মেধাবৃত্তি জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করবে।