ঢাকা, বুধবার ২৫, মার্চ ২০২৬ ২:২২:৩১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
জাবি ছাত্রী শারমীন হত্যা: স্বামী ফাহিম ২ দিনের রিমান্ডে বিশ্ববাজারে আজও কমলো স্বর্ণের দাম একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতিতে কাজ করবে সরকার: শামা ওবায়েদ বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের ১০ লাখ টাকা ঋণের নির্দেশ নিউইয়র্কের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে গাড়ির সঙ্গে বিমানের সংঘর্ষ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল

শিক্ষক নিয়োগে বয়সসীমা ৩৫ হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০৮:৪০ পিএম, ৩ মে ২০১৮ বৃহস্পতিবার

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে বয়সসীমা করা হচ্ছে। সর্বোচ্চ ৩৫ বছর বয়সের পর কেউ আর শিক্ষক হতে পারবেন না। আগে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হতে কোনো বয়সসীমা ছিল না। ফলে ৪০-৪৫ বা তার চেয়ে বেশি বয়সীরাও শিক্ষক হতে পারতেন।

এই বয়সসীমা বাস্তবায়িত হলে শিক্ষক নিবন্ধনের সনদ থাকলেও ৩৫ বছর বয়সের পর কেউ নিয়োগ পাবেন না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে একটি প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে।

সূত্র জানায়, আদালতে মামলাজনিত কারণে গত দুই বছর ধরে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। ফলে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগে সুপারিশ করলেও তাদের নিয়োগ দেয়া যাচ্ছে না। সারা দেশে বেসরকারি স্কুল-কলেজে প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এতে দেশের প্রায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই শিক্ষক সংকট দেখা দিয়েছে।

বর্তমানে এনটিআরসিএর নিবন্ধিত সারা দেশে প্রায় ছয় লাখ প্রার্থী চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে শিক্ষক নিবন্ধিত প্রার্থীরা নানাভাবে বঞ্চিত হয়ে এ পর্যন্ত ২৫০টি মামলা করেন। গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর ১৬৬টি মামলার রায় দেন আদালত। আদালতের রায়ে সাতটি নির্দেশনা দেয়া হয়।

তার মধ্যে কয়েকটি হলো-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করা, প্রতি বছর নিবন্ধন পরীক্ষার আয়োজন, তিন মাসের মধ্যে জাতীয়ভাবে নিবন্ধিত সব শিক্ষকের একটি মেধা তালিকা প্রণয়ন। এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশকৃত শিক্ষকদের যোগদান করতে দেয়া না হলে ৬০ দিনের মধ্যে সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমিটি বাতিল করা। সংশ্লিষ্ট বোর্ডের তত্ত্বাবধানে পুনরায় কমিটি গঠন করা।