ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৯, মার্চ ২০২৬ ০:৫৫:১৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
‘যমুনা’য় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী দেশে খাদ্য সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই: খাদ্যমন্ত্রী বগুড়ায় ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত: আহত ২ শতাধিক হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পাঠাতে মিত্রদের ‘না’, হতাশ ট্রাম্প মহাসড়কে বাড়ছে যানবাহনের চাপ, ধীরগতিতে চলছে গাড়ি চিকিৎসার অভাবে ৪৯ লাখ শিশুর মৃত্যু, জাতিসংঘের উদ্বেগ ধর্ষণ রোধে সমন্বিত সরকারি অ্যাকশন

সুস্থ থাকতে ঈদে যা খাবেন, যা খাবেন না

লাইফস্টাইল ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:১৭ পিএম, ২০ এপ্রিল ২০২৩ বৃহস্পতিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ঈদ উপলক্ষ্যে সবার ঘরেই নানা ধরনের মুখরোচক খাবারের আয়োজন করা হয়। এছাড়া আত্মীয় ও বন্ধুদের বাসাতেও ঈদে দাওয়াত থাকে। সব মিলিয়ে ঈদ ও এর পরবর্তী দিনগুলোতে সবাই কমবেশি সুস্বাদু ও মজাদার খাবার খাওয়ার মধ্যেই থাকেন।

আর সুস্বাদ খাবার সামনে পেলে জিহ্বা নিয়ন্ত্রণে রাখা বেশ কষ্টকর। তাই অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। একই সঙ্গে বেড়ে যেতে পারে ওজন। আবার এখন যেহেতু প্রচুর গরম, তাই এর মধ্যে অতিরিক্ত খাবার খেলে বিপদ হতে পারে।

একমাস রোজা রাখার পর ঈদের দিন যদি একটার পর এক খাবার খেতে থাকেন তাহলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। তাই এ ঈদে সুস্থ থাকতে খেয়াল রাখবেন আপনি কী খাচ্ছেন, কতটুকু খাচ্ছেন, সেসব খাবারের প্রতিক্রিয়াই বা কী ইত্যাদি বিষয়ের প্রতি।


সকালের খাবারে যা খাবেন

সকালের খাবার বাদ দেওয়া যাবে না। অনেকেই ঈদের সকালে মিষ্টিমুখ করে নামাজ পড়তে যান। এক্ষেত্রে সেমাই, পায়েশ ইত্যাদি খেয়ে থাকেন। তবে খালি পেটে মিষ্টি এসব খাবার খেলে সারাদিন অ্যাসিডিটিতে ভুগতে পারেন।

তাই ঈদের নামাজ পড়তে যাওয়ার আগে দুইটি সেদ্ধ ডিম খেয়ে যেতে পারেন। পাশাপাশি চেষ্টা করুন মৌসুমি ফলের জুস খেতে। একটি মাঝারি আকৃতির আমও খেতে পারেন। খাওয়ার আধা ঘণ্টা পর দেড় থেকে দুই গ্লাস পানি খেয়ে নামাজ পড়তে যান।

পরিমাণমতো খাবেন

যে কোনো খাবারই যদি আপনি পরিমাণমতো খান, তাহলে সব ধরনের খাবারও খেতে পারবেন আর শরীরও থাকবে সুস্থ। অতিরিক্ত খাবার খাওয়া এড়াতে ও সুস্থ থাকার প্রথম শর্ত হলো পরিমাণ মেপে খাবার খাওয়া।


ঈদে যেহেতু প্রচুর পরিমাণে মাংস, মিষ্টি, কিংবা মুখোরোচক ভাজাপোড়া অনেক খাবার খাওয়া হয়, তাই অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। এর কারণ হলো একসঙ্গে প্রচুর পরিমাণ তৈলাক্ত বা চর্বিযুক্ত খাবার খেয়ে হজম করতে পারেন না অনেকেই।


ফলে পেট ফাঁপে, জ্বালাপোড়া করে, ব্যথা করে, বারবার পায়খানা হতে পারে। পর্যাপ্ত পানি পান না করার কারণে অনেকে কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন। যদিও কোনো নির্দিষ্ট খাবার খেতে মানা নেই, তবে পরিমাণ বজায় রাখা খুবই জরুরি।


এক্ষেত্রে শুরু থেকেই পরিকল্পনা থাকা উচিত। যেহেতু দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেই সবাই মাংস খাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েন, তাই সকাল আর দুপুরের খাওয়াটা কম খেলেই ভালো। কোথাও দাওয়াত খেতে গেলেও কম খেতে হবে।

যেহেতু আবহাওয়া এখন বেশ তপ্ত, তাই ঈদের দিন তৈলাক্ত খাবার, পোলাও, বিরিয়ানি, মুরগি, খাসি বা গরুর মাংস, কাবাব, রেজালা ইত্যাদি খাবার যতটা সময় কম খাওয়ার চেষ্টা করুন।


চর্বি এড়িয়ে চলুন

অতিরিক্ত চর্বি খাওয়া এমনিতেই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। অনেক সময় দেখা যায়, আমরা রান্না সুস্বাদু হবে মনে করে মাংসে বেশ কিছু চর্বি আলাদাভাবে যোগ করি, এমন ধারণা একেবারেই ভুল।

মাংসের সঙ্গে যথেষ্ট পরিমাণে সবজি খাওয়া যেতে পারে। টাটকা সবজি পাকস্থলীকে সাবলীল রাখে। পরিমিতি বোধ যেখানে রসনা সংবরণ করতে পারে, সেখানে ভয়ের কিছু নেই। মাংসে তেল বা ঘিয়ের পরিমাণ কমিয়ে দিন।

গরমে বেশিরভাগ মানুষই স্বস্তি পেতে কোমল পানীয়ে চুমুক দেন। তবে চেষ্টা করুন এগুলো না পান করার, এতে শরীর আরও পানিশূন্য হয়ে ওঠে। এর বদলে তাজা ফলের রস কিংবা ডাবের পানি পান করুন। আর দিনে ৩-৪ লিটার পানি পান করুন অবশ্যই।

একই সঙ্গে হালকা ব্যায়াম বা বেশ কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করে শরীর থেকে অতিরিক্ত ক্যালোরি কমিয়ে নিতে পারলে আরও ভালো। এসব বিষয় মাথায় রাখলে ঈদেও সুস্থ থাকতে পারবেন।