ঢাকা, রবিবার ১৪, জুন ২০২৬ ৩:৫২:৩১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
৮তলা থেকে পড়ে অভিনেত্রীর মৃত্যু, স্বামী রিমান্ডে ১০ জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে কাল চ্যাটজিপিটির প্রভাবে তরুণীর মৃত্যু, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানী বার কাউন্সিলের এমসিকিউতে পাস করলেন জাইমা রহমান প্যারাগুয়েকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল যুক্তরাষ্ট্র হার এড়িয়ে বিশ্বকাপে কানাডার প্রথম পয়েন্ট

৭ শিশুকে হত্যা, সেই নার্সের আমৃত্যু কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৪৫ এএম, ২২ আগস্ট ২০২৩ মঙ্গলবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাজ্যের সিরিয়াল কিলার নার্স লুসি লেটবিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২১ আগস্ট) ম্যানচেস্টারের ক্রাউন আদালতে এই রায় ঘোষণা করা হয়।
রায়ে বিচারক বলেছেন, সাত শিশুকে হত্যার ‘দুঃখজনক’ ঘটনায় লুসিকে আজীবন কারাগারে কাটাতে হবে এবং তিনি কোনোদিনই ছাড়া পাবেন না।

৩৩ বছর বয়সী লুসি লেটবি যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে মাত্র তৃতীয় জীবিত নারী যাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হলো।
চেস্টার হাসপাতালের নবজাতক ইউনিটের সাবেক এ নার্সকে আধুনিক ব্রিটেনের ইতিহাসে সবচেয়ে জঘন্য শিশু সিরিয়াল কিলার হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে। সাত শিশুকে হত্যা কারা ছাড়াও ছয় শিশুকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগও ছিল তার বিরুদ্ধে।
লুসিকে এই কারাদণ্ড দিয়ে বিচারক গোস বলেছেন, ‘এটি ছিল সবচেয়ে ছোট ও দুর্বল শিশুদের বিরুদ্ধে শিশু হত্যার অমানবিক, পরিকল্পিত  নিষ্ঠুরতা। লুসি জানতেন তার এই ধরনের নিষ্ঠুরতা শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি করবে।’
বিচারক আরও বলেছেন, লুসি যা করেছেন তা নার্সিং ও শিশুদের যত্নের ক্ষেত্রে মানুষের যে সহজাত প্রবৃত্তি রয়েছে সেটি তার পরিপন্থি। বিচারক গ্রোস জানিয়েছেন, এই বিচার প্রক্রিয়া চলার সময় লুসি দাবি করেছেন তিনি শিশুদের কোনো ক্ষতি করেননি। যা ছিল সুষ্পষ্ট একটি মিথ্যাচার।
লুসি ২০১৫ সালের জুন থেকে ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত এসব হত্যাকাণ্ড ঘটান। এসব শিশুকে হত্যা করতে তিনি বেশ কয়েকটি পন্থা অবলম্বন করেছেন। তিনি কোনো শিশুকে হত্যা করতে তাদের ধমনী বা শিরায় ইনজেকশনের মাধ্যমে বাতাস প্রবেশ করিয়ে দিয়েছিলেন, কাউকে অতিরিক্ত দুধ পান করিয়েছিলেন অথবা শরীরে ইনসুলিন প্রবেশ করিয়ে বিষক্রিয়া ঘটিয়ে হত্যা করেছিলেন।

তার অধীনে যেসব শিশু ছিল তাদের বেশিরভাগই গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।