ঢাকা, শনিবার ০৪, জুলাই ২০২৬ ৩:৫৫:০৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
মেসিদের সামনে রূপকথার কেপ ভার্দে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানী নারী উন্নয়নে সরকার দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছে: পানিসম্পদমন্ত্রী ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৫৯৫ এফডিসিতে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে শিল্পী সমিতির নির্বাচন

অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন তৈরিতে ব্রাজিলের চুক্তি সই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:৪১ পিএম, ২৮ জুন ২০২০ রবিবার

অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন তৈরিতে ব্রাজিলের চুক্তি সই

অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন তৈরিতে ব্রাজিলের চুক্তি সই

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির বৃটিশ ঔষধ কোম্পানী আস্ট্রাজেনেকার সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা এবং পরীক্ষাধীন ভ্যাকসিনটি ব্রাজিলও উৎপাদন করবে।

দেশটি শনিবার এ ঘোষণা দিয়ে বলেছে, তারা ১০ কোটি পর্যন্ত ভ্যাকসিন ডোজ তৈরির জন্যে আস্ট্রাজেনেকার সঙ্গে ১২ কোটি ৭০ লাখ ডলারের একটি চুক্তি করেছে।

বিশ্বে করোনার সম্ভাব্য যে কটি ভ্যাকসিন পরীক্ষাধীন রয়েছে সেগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির তৈরি অ্যাস্ট্রোজেনকার এই ভ্যাকসিনটি।

এ চুক্তির আওতায় ব্রাজিল ভ্যাকসিন তৈরির প্রযুক্তি হাতে পাবে বলে জানিয়েছে দেশটির জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ওসওলাদো ক্রুজ ফাউন্ডেশন।

বর্তমানে ভ্যাকসিনটির পরীক্ষা ব্রিটেন, দক্ষিণ আমেরিকা ও ব্রাজিলে চলছে।

ব্রাজিলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি এলসিও ফ্রাংকো শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রাথমিকভাবে তার দেশ তিন কোটি ডোজ তৈরি করবে। প্রথম দফায় ডিসেম্বরের মধ্যে অর্ধেক এবং দ্বিতীয় দফায় আগামী

বছরের জানুয়ারির মধ্যে বাকী অর্ধেক ডোজ তৈরি করবে। ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ব্রাজিল ভ্যাকসিনের আরো সাত কোটি ডোজ তৈরির অধিকার পাবে।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় ভ্যাকসিনটি সফলতা না পেলেও আমরা এটি তৈরির প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে পারবো।

এদিকে ব্রাজিলে ভ্যাকসিনটির পরীক্ষা চলছে। পরীক্ষার জন্যে ব্রাজিলকে নির্বাচিত করার কারণ, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রমিত দেশের একটি এই দেশ। যেখানে অতিদ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু উভয় দিক থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের পরে ব্রাজিলের অবস্থান।

দেশটিতে ১২ লাখেরও বেশি লোক করোনায় আক্রান্ত এবং মারা গেছে ৫৫ হাজার লোক।