ঢাকা, শুক্রবার ০৬, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:২১:০৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ভেনেজুয়েলায় নির্বাচন এ বছর হতে পারে: মাচাদো দেশে পৌঁছেছে চার লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি, সরকারি কর্মচারীরা যমুনার দিকে সিকিমে দফায় দফায় ভূমিকম্প, বাংলাদেশেও অনুভূত একজনের সংস্থা ‘পাশা’ দিচ্ছে ১০ হাজার পর্যবেক্ষক

আজ ঢাকায় আসছেন মিরা রেজনিক

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:১৯ এএম, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সোমবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র নবম নিরাপত্তা সংলাপে অংশ নিতে আজ (সোমবার) ঢাকায় আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনৈতিক সামরিকবিষয়ক ব্যুরোর উপসহকারী মন্ত্রী মিরা রেজনিক।মঙ্গলবার ঢাকায় এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে। সংলাপে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন মিরা রেজনিক।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রোববার ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা সংলাপ একটি বার্ষিক বেসামরিক আয়োজন, যেখানে দুই দেশের নিরাপত্তা সম্পর্কের সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা ইন্দো-প্যাসিফিক আঞ্চলিক সমস্যা, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার, সামরিক সহযোগিতা, শান্তিরক্ষা, নিরাপত্তা সহায়তা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আলোচনা করবেন। এই সংলাপ দুই সরকারের মধ্যকার সর্বাঙ্গীণ নিরাপত্তা সম্পর্কের অংশ।


বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের নিরাপত্তাবিষয়ক অংশীদারিত্ব অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দুই দেশের স্বার্থ অভিন্ন। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে মুক্ত, অবারিত, শান্তিপূর্ণ ও সুরক্ষিত রাখার ক্ষেত্রে দুই দেশের দৃষ্টিভঙ্গিও একই। এই পারস্পরিক লক্ষ্যগুলো অর্জনে সারা বছর বিভিন্ন ধরনের সংলাপ আয়োজিত হয়। এই বছরের নিরাপত্তা সংলাপটি ঢাকায় অনুষ্ঠিত (২৩-২৪ আগস্ট) দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপের খুব কাছাকাছি সময়ে আয়োজিত হতে যাচ্ছে। ঐ দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বেসামরিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা সামরিক সম্পর্কের জন্য সুনির্দিষ্ট বিভিন্ন বিষয় যেমন- সামরিক শিক্ষা, শান্তিরক্ষা এবং আগামী বছরের দুর্যোগে সাড়া প্রদানবিষয়ক অনুশীলন এবং বিনিময়সহ আসন্ন সামরিক মহড়া নিয়ে আলোচনা করেন।


প্রসঙ্গত, মিরা রেজনিক বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রির দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এছাড়া ব্যুরোর নিরাপত্তা সহায়তা অফিসেরও তত্ত্বাবধান করেন তিনি। বছরে সাড়ে ৬ বিলিয়ন ডলারের নিরাপত্তা সহযোগিতার বিষয়টিও দেখভাল করেন মিরা রেজনিক।