ঢাকা, মঙ্গলবার ১৭, মার্চ ২০২৬ ২:৪৮:১১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
উইমেননিউজের প্রধান উপদেষ্টা রিজিয়া মান্নানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ খাল খননের মাধ্যমে দেশ গড়ার কর্মসূচিতে হাত দিলাম: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আধুনিক কবি কামিনী রায়ের জন্মদিন আজ

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৪৮ পিএম, ১২ অক্টোবর ২০২৫ রবিবার

কবি কামিনী রায়

কবি কামিনী রায়

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি কামিনী রায়ের জন্মদিন আজ। সাহিত্য সাধনার পাশাপাশি তিনি নারীদের অধিকার নিয়ে ব্যাপক কাজ করে গেছেন। আজ বাংলা ভাষার মানুষ তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।

‘কেন একজন নারীকে ঘরে বন্দী করে সমাজে তার ন্যায্য স্থান থেকে বঞ্চিত করা হবে?’ গর্জে উঠেছিলেন কামিনী রায়। 

কামিনী রায় ছিলেন একজন কবি এবং ব্রিটিশ ভারতের প্রথম মহিলা যিনি অনার্স ডিগ্রি নিয়ে স্নাতক হয়েছেন, যিনি তার সমগ্র জীবন নারী শিক্ষা ও অধিকারের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন এবং যিনি তার কর্মের মাধ্যমে ভারতীয় ইতিহাসে একটি আলাদা ছাপ রেখে গেছেন।

১৮৬৪ সালের ১২ অক্টোবর বর্তমান বাংলাদেশের বাকেরগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন কামিনী। অল্প বয়স থেকেই কামিনী সমাজে নিজের জায়গার জন্য লড়াই শুরু করেন। তিনি গণিতে পারদর্শী ছিলেন, কিন্তু কবিতা ও সাহিত্যের প্রতি তিনি তীব্র অনুরাগ অনুভব করেছিলেন।

১৮৮০ সালে তিনি কলকাতার বেথুন কলেজে যোগদান করেন, যেখানে তিনি তার সমসাময়িক, আর এক ভারতীয় নারীবাদী ব্যক্তিত্ব অবলা বোসের সাথে নারীবাদী লেখার অন্বেষণ শুরু করেন।

১৮৮৬ সালে ২২ বছর বয়সে তিনি ব্রিটিশ ভারতের প্রথম নারী হিসেবে অনার্স ডিগ্রী লাভ করেন। সংস্কৃতে বিএসহ স্নাতক হন। তিনি একই বছর শিক্ষক হিসাবে কলেজে যোগদান করেন। কামিনী রায়ের প্রথম কবিতার বই, ‘আলো ও ছায়া’ প্রকাশিত হয় ১৮৮৯ সালে।

ভোটের অধিকারসহ অধিকারের জন্য নারীদের লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে তার উল্লেখযোগ্য কাজের জন্য তাকে ভারতের প্রথম নারীবাদী এবং ভোটাধিকারীদের মধ্যে একজন হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

১৯২১ সালে কামিনী রায় কুমুদিনী মিত্র এবং মৃণালিনী সেনের সাথে বঙ্গীয় নারী সমাজ গঠন করেন। এই সংগঠন বাঙালি নারীদের সমতার লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিয়েছিল। সংগঠনের চাপের কারণে, অন্যান্য অনেকের সাথে বাঙালি নারীরা ১৯২৬ সালে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে।

কামিনী রায় ১৯২২ থেকে ১৯২৩ সাল পর্যন্ত নারী শ্রম তদন্ত কমিশনের সদস্য ছিলেন। এ সময় নারীদের কাজের অবস্থার তদারকি করেন। তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য সম্মেলনের (১৯৩০) সাহিত্য বিভাগের সভাপতি এবং সাহিত্য সমাজ বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের (১৯৩২-৩৩) সহ-সভাপতি ছিলেন।

১৯২৯ সালে সাহিত্যিক ক্ষেত্রে তাঁর কৃতিত্বের জন্য কামিনী রায়কে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় জগত্তারিণী পদক প্রদান করে। এই বিশিষ্ট নারী ১৯৩৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর পরলোকগমন করেন।