এবার নির্বাচন নিয়ে এত উতলা কেন আমেরিকা : প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ১০:০১ পিএম, ১৬ আগস্ট ২০২৩ বুধবার
ছবি : সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমেরিকার উদ্দেশ্য বাংলাদেশে নির্বাচন নয়, তাদের উদ্দেশ্য অন্যকিছু। তিনি বলেন, হঠাৎ এবার নির্বাচন নিয়ে যেন তারা খুব বেশি উতলা হয়ে পড়ল, তাদের লোকজন আসা শুরু করল, কেন, কারণটা কী?
বুধবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক তৎপরতার সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়া যখন ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন নির্বাচন করেছিল তখন তাদের নির্বাচনের চেতনা কোথায় ছিল? জেনারেল এরশাদ যখন ৪৮ ঘণ্টা রেজাল্ট বন্ধ করে দিয়ে ফলাফল ঘোষণা করল, সেটা নিয়ে তাদের উদ্বেগ তো আমরা দেখিনি। হঠাৎ এবার নির্বাচন নিয়ে তারা (আমেরিকা) যেন খুব বেশি উতলা হয়ে পড়ল! নির্বাচনের দাড়ি, কমা, সেমিকোলন, কোথায়, কী, কীভাবে হবে, তা নিয়ে সবচেয়ে বেশি কথা... এবং একের পর এক তাদের লোকজন আসা শুরু করল। কেন? কারণটা কী? বিএনপি তাদের চোখের মণি? যে বিএনপি এত মানুষ হত্যা করেছে, জাতির পিতার হত্যার সঙ্গে জড়িত; যে বিএনপি কয়দিন আগেও আগুন দিয়ে, অগ্নি সন্ত্রাস করে মানুষ হত্যা করল; কিছুদিন আগেও পুলিশের গাড়িতে আক্রমণ করল; এ দেশে একটা পর একটা ধ্বংসযজ্ঞ চালাল তারা; আজকে তাদের নিয়ে মাতামাতি? তাদের সঙ্গে বসতে হবে? তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে? অনেক বলেছি। শুধু বাংলাদেশের মানুষের মুখের দিকে তাকিয়ে, এ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য, আমার বাবার স্বপ্ন পূরণের জন্য, অনেক কিছু সহ্য করেছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক অবস্থার দিক দিয়ে বাংলাদেশের একদিকে ভারত মহাসাগর অন্যদিকে প্রশান্ত মহাসাগর। এদিকে আমাদের বে অব বেঙ্গল। এর গুরুত্ব অনেক বেশি। প্রাচীন যুগ থেকে এ জায়গাতে সকল ব্যবসা-বাণিজ্য চলে আসছে। ভারত মহাসাগরের যতগুলো দেশ আছে, কারো সঙ্গে আমাদের দ্বন্দ্ব নেই। সম্পূর্ণ নিষ্কণ্টক একটা যোগাযোগ পথ। এই জলপথে আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে নির্বিঘ্নে পণ্য পরিবহন হয়।
তিনি বলেন, গণতন্ত্রের নাম দিয়ে, নির্বাচনের নাম দিয়ে, নানা নাম দিয়ে আমাদের দেশে এমন একটা অবস্থা সৃষ্টি করতে চায়, যাতে করে ভারত মহাসাগর, বঙ্গোপসাগরের জায়গাটা তারা ব্যবহার করতে পারে। এটা ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশে আক্রমণ করা এবং দেশগুলোকে ধ্বংস করা, এটাই হচ্ছে কারো কারো উদ্দেশ্য। সে উদ্দেশ্য নিয়েই তাদের এত তালবাহানা। এই এলাকাটাকে নিয়ে নানাভাবে খেলার চক্রান্ত চলছে।
শেখ হাসিনা বলেন, আজ আমরা গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত করেছি, জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করেছি। বাংলাদেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নতি হচ্ছে, বাংলাদেশের মানুষ আজ এগিয়ে যাচ্ছে, দারিদ্র্যের হার ৪১ থেকে ১৮ ভাগে নামিয়ে এনেছি। এরা বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে চায়। এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।
বাংলাদেশের দুর্ভাগ্যের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আজকে তাদের (পশ্চিমারা) কাছ থেকে মানবাধিকারের কথা আমাদের শুনতে হয়। আমাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? যেখানে আমার মা-বাবার হত্যার বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। হত্যার বিচার চেয়ে মামলা করার অধিকার ছিল না। ১৫ আগস্ট আমাদের জাতীয় জীবনে কত বড় একটা দুর্ভাগ্যের ক্ষত চিহ্ন রেখে গেছে, যে মুক্তিযুদ্ধের জন্য লাখো মানুষ জীবন দিয়েছে, সেই মুক্তিযুদ্ধের সমস্ত আদর্শ, সমস্ত চেতনা, সবকিছু পরিবর্তন করে ফেলেছিল তারা।
তিনি বলেন, যেসব দেশ খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে, তারা যখন আমাদের কাছে আসে মানবাধিকারের কথা বলে, তারা নির্বাচনের কথা বল, স্বচ্ছতার কথা বলে, বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে খুব উতলা হয়ে পড়েছে, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন, ২০০১ সালের নির্বাচনে যখন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর নির্বিচারে অত্যাচার কারা করল? কত মানুষকে খুন করেছে? হাত কেটে, চোখ তুলে নিয়েছে, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে, পুড়িয়ে ফেলেছে, তখন তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? সেই নির্বাচনে আমাদের হারার কথা ছিল না, আমাদেরকে জোর করে হারানো হয়েছিল।
সরকারপ্রধান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে ৩০ বছর ধরে যে সংঘাত ছিল, আমি সরকারে আসার পর সেখানে শান্তি ফিরিয়ে আনি। সেখানে এখনও নানা রকম অশান্তি সৃষ্টির প্রচেষ্টা চলছে। যেহেতু আমি জানি, আমি বুঝি, আমাকে কীভাবে ক্ষমতা থেকে সরাবে, তাদের কিছু কেনা গোলাম আছে, তাদের বসিয়ে এ জায়গাটা নিয়ে খেলবে, এটাই তাদের প্রচেষ্টা। সেটা আমি ভালোভাবে বুঝতে পারি। যারা দেশপ্রেমী, তাদের সবাইকে এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। কারণ, বাংলাদেশের মানুষের ক্ষতি করে ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তা করি না।
তিনি আরও বলেন, আমরা আইন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছি। খালেদা জিয়ার আজিজ মার্কা নির্বাচন কমিশন না। ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার দিয়ে তারা নির্বাচন করার চেষ্টা করেছে। তখন এসব চেতনা আমরা দেখিনি। এত কথা শুনিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন মনে হয় তাদের পছন্দ না। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাটাই পছন্দ না। আজকের ডেমোক্রেসির কথা বলে, ডেমোক্রেসি কী? আমি আমেরিকা যখন গিয়েছিলাম, তখন স্টেট ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে আমার কথা হয়। তখন জিজ্ঞেস করেছিলাম, আমি একটা লেখা দেখে এসেছি, যেখানে লেখা, গর্ভমেন্ট অব দ্যা পিপল বাই দ্যা পিপল, ফর দ্যা পিপল। আমি একটা দেশ থেকে এসেছি, যেখানে একটা গর্ভমেন্ট অব দ্যা আর্মি, বাই দ্যা আর্মি, ফর দ্যা আর্মি। আপনারা তাদের সাপোর্ট দেন কীভাবে? আপনাদের গণতন্ত্র কি আটলান্টিকের পার পর্যন্ত থাকে? আটলান্টিক পার হলেই আপনাদের গণতন্ত্রের সংজ্ঞা কি বদলে যায়? একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে আমাদের দেশে এত নেতাকর্মীদের হত্যা করল, শুধু একবার নয় বারবার আমাদের মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হয়েছে। আজকে তাদেরকেই ক্ষমতা বসাতে হবে?
- বিশ্ববাজারে টানা দ্বিতীয় সপ্তাহে কমলো স্বর্ণের দাম
- রাতের মধ্যে ঢাকাসহ ১৭ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস
- হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানী
- ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
- বার কাউন্সিলের এমসিকিউতে পাস করলেন জাইমা রহমান
- ফিরতি ১২৭ ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার হাজি
- প্যারাগুয়েকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল যুক্তরাষ্ট্র
- হার এড়িয়ে বিশ্বকাপে কানাডার প্রথম পয়েন্ট
- কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী
- বাংলাদেশসহ নানা দেশে হঠাৎ ফেসবুক বন্ধ!
- আজকের বাজারদর: কমেনি স্বস্তি, চড়া দামে নিত্যপণ্য
- ৯০ শতাংশ মানুষের কাছে ‘৫-জি‘ পৌঁছে দিতে চায় সরকার
- ৮৯ দিনে হামে ৬৪৩ শিশুর প্রাণহানী
- শাকিরা: বিশ্বকাপের ‘গানকন্যা’র উত্থান, রেকর্ড ও বিশ্বজয়ের গল্প
- থাই রাজকুমারী দেব্যাভতি মারা গেছেন
- শাকিরা: বিশ্বকাপের ‘গানকন্যা’র উত্থান, রেকর্ড ও বিশ্বজয়ের গল্প
- জমকালো আয়োজনে শুরু বিশ্বকাপ ফুটবল
- আজ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু
- পেলের পরেই মোরা, মাঠে নেমেই ইতিহাসের অংশ
- থাই রাজকুমারী দেব্যাভতি মারা গেছেন
- বাজারে দাম চড়া, ক্রেতাদের ভোগান্তি চলছেই
- জয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু দক্ষিণ কোরিয়ার
- বিশ্বকাপ উন্মাদনায় স্টেডিয়ামে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট
- প্যারাগুয়েকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল যুক্তরাষ্ট্র
- হার এড়িয়ে বিশ্বকাপে কানাডার প্রথম পয়েন্ট
- তিন লাল কার্ডের উদ্বোধনী ম্যাচ জিতল মেক্সিকো
- কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী
- ফিরতি ১২৭ ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার হাজি
- ৮৯ দিনে হামে ৬৪৩ শিশুর প্রাণহানী
- হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানী











