ঢাকা, মঙ্গলবার ২০, এপ্রিল ২০২১ ১৬:৫১:৫২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
করোনা টিকা উৎপাদনে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর লকডাউনের সময় বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি কয়েক মাসেই নিয়ন্ত্রণে আসবে করোনা: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভারতে করোনায় আরও ১,৭৫৭ মৃত্যু, আক্রান্ত আড়াই লাখ খালেদা জিয়ার জ্বর নেই, শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক

করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু ৮ এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:২৯ পিএম, ৫ এপ্রিল ২০২১ সোমবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার মো. খুরশীদ আলম বলেছেন, করোনাভাইরাসের টিকা দেয়া হচ্ছে এবং হবে। আমরা হয়তো যেভাবে শুরু করছিলাম সেভাবে দেব না। তবে প্রথম ডোজ দেয়া বন্ধ হবে না। ৮ এপ্রিল দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শুরু হবে।

লকডাউনের সময় বাড়ানো হবে কিনা তা সংক্রমণের হারের ওপর নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করে খুরশীদ আলম বলেন, মানুষের জীবন রক্ষার জন্যই লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। পুরোপুরি কার্যকর করতে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যের মহাপরিচালক বলেন, সরকারি নির্দেশনা যারা মানবে না তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয়েছে। মাঠ প্রশাসন এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে। সচেতনতা সৃষ্টির জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সারাদেশে জোরালোভাবে প্রচারণা কার্যক্রম চালাবে।

লকডাউনের সময় আরও বাড়নো হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে খুরশীদ আলম বলেন, এটা এখনই বলা যাচ্ছে না। সংক্রমণের হারের ওপরই নির্ভর করবে লকডাউন বাড়ানো হবে কি না। টিকা কার্যক্রম চলমান থাকবে। তবে প্রথম ডোজ অত জোরেসোরে আর দেয়া হবে না। আগামী ৮ তারিখ থেকে টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শুরু হবে। নতুন ভ্যাকসিনের বিষয়ে গত রবিবার বেক্সিমকো ফার্মা জানিয়েছেন তারা সময়মত তাদের টিকা সরবরাহ করতে পারবে।

খুরশীদ আলমের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. হাসান ইমাম, ডা. ফরিদ হোসেন মিয়া, মানিকগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ারুল আমীন আখন্দ, জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আরশাদ উল্লাহ।

প্রসঙ্গত, দেশে গত বছর সংক্রমণ ধরা পড়লে ২৩ মার্চ প্রথমবার সাধারণ ছুটির ঘোষণা দিয়েছিল সরকার। ওই সময় সব অফিস আদালত, কল-কারখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে সারা দেশে সব ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। ছুটির মধ্যে সব কিছু বন্ধ থাকার সেই পরিস্থিতি ‘লকডাউন’ হিসেবে পরিচিতি পায়। করোনার সংক্রমণ কমে আসায় আস্তে আস্তে সবকিছু স্বাভাবিক হতে তাকে। কিন্তু মার্চের শেষ দিকে করোনা পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকলে ভাইরাসটির বিস্তার রোধের চেষ্টায় একগুচ্ছ বিধিনিষেধের বেড়াজালে সোমবার থেকে সারাদেশে সাত দিনের ‘লকডাউন’ শুরু হয়।

-জেডসি