ঢাকা, শুক্রবার ৩০, জানুয়ারি ২০২৬ ২:৪৯:৪৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
পোস্টাল ভোট: ১৪৮ দেশে নিবন্ধন, সৌদি আরব শীর্ষে এক বছরে ১৭ লাখ শিশুর জন্ম অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে হামলা-অপমানে ভাঙছে মাঠপুলিশের মনোবল কোনো দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন তারেক রহমান ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে প্রযুক্তির হাত ধরেই: প্রধান উপদেষ্টা ‘ডেইরি ফার্ম জাতীয় অর্থনীতির একটি সম্ভাবনাময় খাত’

নবজাতককে হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেলেন বাবা-মা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:১২ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সোমবার

হাসপাতালে রেখে যাওয়া নবজাতক।  ছবি: সংগৃহীত  

হাসপাতালে রেখে যাওয়া নবজাতক। ছবি: সংগৃহীত  

শ্বাসকষ্টজনিত অসুখের কথা বলে হাসপাতালে ভর্তির পর এক নবজাতককে রেখে পালিয়ে গেছেন মধ্যবয়সী দুজন নারী-পুরুষ। তারা এই নবজাতকটির বাবা-মা বলে বলে হাসপাতালে পরিচয় দিয়েছিল। এভাবে নবজাতককে রেখে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় হাসপাতালে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে ওই নবজাতক শিশু রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের (শিশু ওয়ার্ড) বেডে নার্সদের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

নার্সদের ভাষ্যমতে, গত শনিবার বিকেলে বাবা-মা পরিচয় দিয়ে মধ্যবয়সী দুজন নারী-পুরুষ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কথা বলে ওই নবজাতককে ভর্তি করেন। নবজাতকের বয়স কয়েকদিন মাত্র। ভর্তির পর ওয়ার্ডে চিকিৎসার কাগজপত্র এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ নিয়ে আসার কথা বলে তারা একে একে ওয়ার্ড থেকে বাইরে বের হন। এরপরই তারা হাসপাতাল থেকে পালান। ওই দিন থেকে আজ সোমবার সকাল পর্যন্ত তারা আর রামেক হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ফিরে আসেননি। তাই শিশুটি এখন হাসপাতালে কর্তব্যরত নার্সদের তত্ত্বাবধানেই রয়েছে। 

তারা আরও জানান, ভর্তি থাকা শিশুটি পুরোপুরি সুস্থ আছে। এরইমধ্যে ওই শিশুটিকে দত্তক নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন অনেকে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুটিকে আদালতের মাধ্যমে সরকারি শিশু সদন ছোটমনি নিবাসে হস্তান্তর করতে চায়। এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রাজপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছে।

রামেক হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শংকর কে বিশ্বাস জানান, ওই শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করেই তার বাবা-মা পরিচয়দানকারী মধ্যবয়সী দুই নারী-পুরুষ লাপাত্তা হন। শেষ পর্যন্ত তারা কেউ না আসলে বা তাদের আজকালের মধ্যে খুঁজে পাওয়া না গেলে আদালতের মাধ্যমে শিশুটিকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের ছোটমনি নিবাসে হস্তান্তর করা হবে।