ঢাকা, সোমবার ০৯, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:১৮:০২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আগামী ১০ বছরে চাঁদে শহর গড়ার স্বপ্ন ইলন মাস্কের নাটোরে বসতবাড়িতে আগুন লেগে মা-মেয়ের মৃত্যু জরিপে ৬০ শতাংশ ভোটারের পছন্দ তারেক রহমান আদালতে নির্যাতনের বর্ণনা দিল শিশুগৃহকর্মী মোহনা

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরো গভীর হয়েছে: ইন্দিরা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:১৪ পিএম, ২১ মার্চ ২০২৩ মঙ্গলবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। দেশ দুটির অর্থনীতি, শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে রয়েছে বহুমাত্রিক সম্পর্ক। ভারত মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের এক কোটি মানুষকে আশ্রয়, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ , বিশ্বজনমত গড়ে তোলা এবং ভারতের সেনাবাহিনী বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে থেকে যুদ্ধ করেছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্থল সীমানা চুক্তি, সমুদ্র সীমা, বিদ্যুৎ আমদানি, কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রেল যোগাযোগ, ও পাইপ লাইনে জ্বালানি তেল পরিবহনের ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। আজ  দুই দেশের উন্নয়ন ও বন্ধুত্বত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো গভীর হয়েছে।
যা মতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। 

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা আজ  সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে ইন্ডিয়া বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ক্লাব ঢাকা আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

ইন্ডিয়া বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ক্লাব ঢাকার সভাপতি মো: নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবে সাধারণ সম্পাদক শিমুল সিংহ, এ্যাডভোকেট আবু হেনা রাজ্জাকি,মেহেরুন নেছা ইসলাম, মামুনুর রশিদ, খন্দকার এ হাফিজসহ ক্লাবের সদস্যবৃন্দ।

প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেন,    দুদেশের উন্নয়ন ও মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে। তাই বর্তমান বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি পারস্পরিক উন্নয়ন, আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা আরো সুসংহত করতে হবে।

আলোচনা পর্ব শেষে ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।