ঢাকা, বুধবার ২১, অক্টোবর ২০২৬ ১৩:২৩:৫৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বাল্যবিয়ের শিকার দেশের অর্ধেক মেয়ে: ইউনিসেফ যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করল ট্রাম্প প্রশাসন আজ বিজয়া দশমী, প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হচ্ছে দুর্গোৎসব পূজাতে গিয়ে নৌকাডুবি, স্ত্রী-মেয়েকে হারিয়ে বাবার আহাজারি `সংখ্যাগুরু কিংবা সংখ্যালঘু নয়, সবার পরিচয় বাংলাদেশি` দুর্গাপূজার ছুটিতে ফাঁকা রাজধানী বদলে যাচ্ছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম

যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করল ট্রাম্প প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:১১ এএম, ২১ অক্টোবর ২০২৬ বুধবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে এখন পর্যন্ত ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে তার প্রশাসন। দেশটিতে অবৈধ অভিবাসনবিরোধী ব্যাপক অভিযান অব্যাহত থাকার মধ্যে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।


বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভিসা বাতিলের হার আরও বেড়েছে। গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত এক তথ্যে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছিল, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদ শুরু হওয়ার পর থেকে ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছিল।

মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, ‘ইতিহাসের যেকোনো প্রশাসনের তুলনায় ট্রাম্প প্রশাসন দ্রুতগতিতে বেশি ভিসা বাতিল করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিদেশিদের আইন ভঙ্গ, জালিয়াতি কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টির বিষয়ে প্রশাসনের কোনো ছাড় নেই।

ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, অভিবাসনবিরোধী অভিযান ও বহিষ্কার কার্যক্রমের লক্ষ্য দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা। তবে মানবাধিকারকর্মীদের অভিযোগ, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বিশেষ করে জাতিগত সংখ্যালঘুদের মধ্যে জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে হয়রানির আশঙ্কা বেড়েছে।

মানবাধিকারকর্মীদের সমালোচনার মুখে পড়া ভিসা বাতিলের ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ফিলিস্তিনপন্থী বিদেশি নাগরিকদের ভিসা বাতিল এবং রক্ষণশীল ভাষ্যকার চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করার কারণে বিদেশিদের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপ।

এ ছাড়া বিদেশি বিক্ষোভকারীদের বহিষ্কারের উদ্যোগের পাশাপাশি অভিবাসী ও ভিসাপ্রার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রম যাচাই-বাছাই আরও কঠোর করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

মানবাধিকারকর্মীদের দাবি, সরকার জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তি ব্যবহার করে সমালোচকদের লক্ষ্যবস্তু করছে। পাশাপাশি বিচ্ছিন্ন কিছু জালিয়াতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিনেসোটার সোমালি-আমেরিকান সম্প্রদায়ের মতো অভিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপকভাবে নজরদারি ও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে তার প্রশাসনের বিভিন্ন পদক্ষেপে বৈধ অভিবাসনের পথও কঠিন হয়েছে। এর উদাহরণ হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু কর্মভিসার ক্ষেত্রে উচ্চ ফি আরোপের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স