ঢাকা, মঙ্গলবার ১৫, সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:১৯:২০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন: মৃত্যুর খবর যাচাইয়ে তদন্ত কমিটি মহাবিশ্বের রহস্য খুঁজতে বাংলাদেশের লামিয়া মওলা এশিয়ান গেমস নারী ফুটবল: বাংলাদেশকে হারাল উত্তর কোরিয়া টানা পাঁচ দিন সারাদেশে বর্ষণের আভাস সেপ্টেম্বরের ১৩ দিনেই রেমিট্যান্স ১৭ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা আজ আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস

`রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ`

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:০১ পিএম, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, প্রায় এক দশক ধরে ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে বাংলাদেশ। এতে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের ওপর বাড়তি পরিবেশগত চাপ তৈরি হয়েছে। তাই রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ। 

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সিরডাপ ভবনে ‘পারস্যুইং ক্লাইমেট জাস্টিস: রোড টু ইউএনজিএ’ শীর্ষক আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আসন্ন কপ সম্মেলনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনসহ পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি জলবায়ু অর্থায়ন আরও অনুদানভিত্তিক করাসহ চারটি দাবি তুলে ধরবে বাংলাদেশ।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, জলবায়ু অর্থায়ন ঋণ হিসেবে নয়, কার্যকর সহায়তা হিসেবে চায় বাংলাদেশ। এছাড়া পাটজাত পণ্যকে পরিবেশবান্ধব ও বায়োডিগ্রেডেবল ন্যাচারাল ফাইবার হিসেবে বিশ্বে তুলে ধরার কথা জানান তিনি। জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় পাট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে বলেও আশাবাদ জানান তিনি।

জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের চারটি প্রধান দাবির মধ্যে রয়েছে—প্রতিশ্রুতি নয়, লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড ও ক্লাইমেট ফান্ডের অর্থ বাস্তবে পৌঁছানো; জলবায়ু অর্থায়ন আরও সহজ, অনুদানভিত্তিক ও ঋণের বোঝামুক্ত করা; শ্রমিক ও জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করে ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর নিশ্চিত করা এবং জলবায়ু নীতিতে জেন্ডারভিত্তিক বা নারী-সংবেদনশীল দৃষ্টিভঙ্গি নিশ্চিত করা।