ঢাকা, সোমবার ১৪, সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:১০:১৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
পাকিস্তানের মহসিন নাকভির হাত থেকে ট্রফি নিল না ভারতের মেয়েরাও চীনে চ্যালেঞ্জার গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের মেয়েরা কানাডায় আজীবন সম্মাননা পেলেন অভিনেত্রী শান্তা ইসলাম ঢাকায় বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা, কমছে না গরম তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেবে ব্যাংক ফরিদা পারভীনের প্রয়াণ দিবস:যে স্বপ্ন রেখে গেছেন ‘লালনসম্রাজ্ঞী’

তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেবে ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:০১ এএম, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সোমবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করতে নতুন অর্থায়ন কর্মসূচি চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

এ কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত তরুণ উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন পাবেন। এর অর্ধেক হবে ব্যাংকঋণ, বাকি অর্ধেক অনুদান।

রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্ট থেকে ‘উদ্যোগ: উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি’ শীর্ষক নীতিমালা জারি করা হয়। এটি বাস্তবায়নে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, কারিগরি স্টার্টআপ, কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হালকা প্রকৌশল, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও হস্তশিল্পসহ বৈধ যে কোনো ব্যবসায়িক উদ্যোগ এ অর্থায়নের আওতায় আসবে। নতুন ব্যবসার পাশাপাশি বিদ্যমান ব্যবসায়িক উদ্যোগও এ সুবিধা পাবে।

আবেদনকারীর বয়স আবেদন জমার শেষ তারিখে সর্বোচ্চ ২৮ বছর হতে হবে। তাকে সংশ্লিষ্ট উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা ও বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে। ঋণখেলাপি ব্যক্তি এ সুবিধা পাবেন না। সিআইবি প্রতিবেদনে খেলাপি হিসেবে তথ্য পাওয়া গেলে আবেদন বাতিল হবে। এছাড়া আগে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যবসায়িক ঋণ নেওয়া ব্যক্তিরাও আবেদন করতে পারবেন না। সরকারি, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও এ কর্মসূচির বাইরে থাকবেন।

ব্যবসার প্রয়োজন ও সম্ভাব্য ব্যয় বিবেচনায় একজন উদ্যোক্তাকে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ‘ব্লেন্ডেড ফাইন্যান্স’ দেওয়া হবে। এর সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা ব্যাংকঋণ এবং বাকি ১০ লাখ টাকা ম্যাচিং গ্র্যান্ট বা অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে। অর্থাৎ, কোনো উদ্যোক্তার ব্যবসায় ১২ লাখ টাকা প্রয়োজন হলে তিনি ৬ লাখ টাকা ঋণ ও ৬ লাখ টাকা অনুদান পাবেন। ঋণ ও অনুদানের অর্থ একই সময়ে উদ্যোক্তার ব্যাংক হিসাবে জমা হবে।
তবে, ঋণের অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে বা অর্থের অপব্যবহার করলে অনুদানের অংশও সুদমুক্ত ঋণে পরিণত হবে। পরে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তা আদায় করা হবে।

প্রতিটি উপজেলায় একটি করে লিড ব্যাংক নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। যে কোনো তফসিলি ব্যাংকের শাখা থেকে আবেদন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে। পরে উপজেলা ও জেলা লিড ব্যাংকের মাধ্যমে আবেদনগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হবে।

চূড়ান্ত বাছাইয়ে ব্যবসায়িক পরিকল্পনা, বাজার সম্ভাবনা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির সক্ষমতা বিবেচনা করা হবে। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক, তফসিলি ব্যাংক, সফল উদ্যোক্তা, শিল্প খাত ও শিক্ষাবিদদের সমন্বয়ে প্যানেল কাজ করবে। বাছাই শেষে মনোনীত উদ্যোক্তাদের ১৭ কার্যদিবসের মধ্যে ঋণ অনুমোদনের ব্যবস্থা করা হবে।

এছাড়া, অর্থায়নের পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের আর্থিক সাক্ষরতা প্রশিক্ষণ, মেন্টরিং, বাজার সংযোগ এবং ট্রেড লাইসেন্স বা ব্যবসা নিবন্ধনের ক্ষেত্রেও সহায়তা করবে অংশগ্রহণকারী ব্যাংক।