ঢাকা, বুধবার ১১, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:১৩:৩২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
নেপালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস নদীতে, নিহত ১২ ঢাকায় ৩৯৪ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও ১৯৭ বিদেশি সাংবাদিক কানাডায় স্কুলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ১০ রাজধানী ফাঁকা, ভোটের টানে বাড়ি গেছে নগরবাসী ভোটের দিন পাঁচ ধরনের যানবাহন চলাচল নিষেধ সাভার-আশুলিয়া: ফাঁকা সড়ক-মহাসড়ক নারী ভোটারদের জন্য ব্যতিক্রমী উদ্যোগ চাঁদপুরে, সব কর্মকর্তা নারী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর প্রস্তুতি চলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:১৮ পিএম, ১৮ আগস্ট ২০১৯ রবিবার

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে। এ উপলক্ষে সীমান্তের কেরুনতলী এবং ঘুমধুম পয়েন্টে দু’টি ট্রানজিট ক্যাম্প সংস্কার করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রস্তুতির অংশ হিসাবে আজ রোববার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্পর্কিত টাস্কফোর্সের সভা কক্সবাজারে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

টাস্কফোর্সের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রোহিঙ্গারা স্বদেশে ফিরতে রাজি হলে দ্রুত এই প্রত্যাবাসন শুরু করা হবে।

টাস্কফোর্স সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই পর্যন্ত ২২ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা মিয়ানমারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই তালিকা থেকে ৩ হাজার ৩’শ জনের অনুমোদন দিয়েছে মিয়ানমার।

সভায় সভাপতিত্ব করেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম। এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার নুরুল আলম নিজামী, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন, পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এসএম সরওয়ার কামাল।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম জানান, টাস্কফোর্র্সের সভায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রত্যাবাসনের জন্য টেকনাফের কেরুনতলী এবং নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম পয়েন্টকে প্রস্তুত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আবুল কালাম জানান, এ ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত কোন নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। তবে প্রত্যাবাসন নিয়ে আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।

তিনি জানান, সীমান্তের দু’টি ট্রানজিট পয়েন্ট কেরুনতলী এবং ঘুমধুমকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। সব কিছু চূড়ান্ত হলে দু’টি পয়েন্টে প্রত্যাবাসন শুরু করা যাবে।

মিয়ানামারের ছাড়পত্র পাওয়া ৩ হাজার ৩’শ রোহিঙ্গার একটি তালিকা জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুই দেশের সঙ্গে ইউএনএইচসিআর এর এই বিষয়ে চুক্তি রয়েছে।

২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে সন্ত্রাসী হামলার অজুহাতে রোহিঙ্গাদের উপর দমন পীড়ন শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। হত্যা, ধর্ষণসহ নানা নিপীড়ন থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা।