ঢাকা, মঙ্গলবার ২৩, জুন ২০২৬ ০:৪৭:৫০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ঢাকায় টেনিস: উইম্বলডনে খেলবেন সেরেনা উইলিয়ামস লেবানন ইস্যুতে ইসরায়েলের সমালোচনায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী তৃণমূল কংগ্রেস থেকে মমতার বিদায়, নতুন চেয়ারম্যান অরূপ রায় চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ যে তিন রেকর্ড ডাকছে মেসিকে

লেবানন ইস্যুতে ইসরায়েলের সমালোচনায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:১৩ পিএম, ২২ জুন ২০২৬ সোমবার

সাবেক ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিপি লিভনি।

সাবেক ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিপি লিভনি।

ইরানের সাথে যুদ্ধাবস্থার মধ্যে গত মার্চ মাসে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর আগ্রাসন ও দখলদারিত্বের পর দেশটির বর্তমান কট্টর ডানপন্থী সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন সাবেক ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিপি লিভনি। লেবানন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে লিভনি বলেন, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান বর্তমান মধ্যস্থতা প্রক্রিয়াটি মূলত ইসরায়েলের একটি কূটনৈতিক ব্যর্থতা, যা সহজেই এড়ানো যেত।

তিনি বর্তমান সরকারের কড়া সমালোচনা করে বলেন, "এটি ইসরায়েলের জন্য ভয়াবহ একটি পরিস্থিতি। সরকার মাঠপর্যায়ের সামরিক অর্জনগুলোকে দেশের দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তার স্বার্থে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে না পারার কারণেই এমনটা ঘটছে।"

লিভনি তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে, তিনি আগেই একটি ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার প্রস্তাব করেছিলেন, যেখানে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৭০১ নম্বর প্রস্তাব বাস্তবায়ন এবং হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণ করতে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও লেবানন একসাথে কাজ করত। 

তার মতে, "সে সময় ইরান ও হিজবুল্লাহ তাদের সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায় ছিল এবং হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্যটি বিশ্বজুড়ে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছিল। ফলে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারত।"

বর্তমান সরকারকে অবিলম্বে ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে এই সাবেক মন্ত্রী বলেন, "এই সরকারকে অবশ্যই চলে যেতে হবে এবং তাদের চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করতে হবে। যারা কোনো নির্দিষ্ট কূটনীতি বা কৌশলগত পরিকল্পনা ছাড়া কেবল আরও সামরিক শক্তি এবং 'নকআউট ব্লো' (চূড়ান্ত আঘাত) এর প্রতিশ্রুতি দেয়, তারা মূলত পরবর্তী ব্যর্থতারই ইঙ্গিত দিচ্ছে।"