ঢাকা, শনিবার ০৭, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২:৫৫:৪১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ভেনেজুয়েলায় নির্বাচন এ বছর হতে পারে: মাচাদো দেশে পৌঁছেছে চার লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি, সরকারি কর্মচারীরা যমুনার দিকে সিকিমে দফায় দফায় ভূমিকম্প, বাংলাদেশেও অনুভূত একজনের সংস্থা ‘পাশা’ দিচ্ছে ১০ হাজার পর্যবেক্ষক

শেখ হাসিনাকে সমর্থন দেবেন চীনের প্রেসিডেন্ট

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৭:০১ পিএম, ২৪ আগস্ট ২০২৩ বৃহস্পতিবার

পুরোনো ছবি

পুরোনো ছবি

ব্রিকসে যোগদানে বাংলাদেশকে সমর্থন দেবে চীন। এর পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

বুধবার (২৩ আগস্ট) ১৫তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট এই আশ্বাস দেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন জানান, শি জিনপিং বলেছেন শেখ হাসিনা ব্রিকসে যোগ দিতে চাইলে তিনি সবসময় সমর্থন করবেন। রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানেও বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন। এই অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা চান না বলেও জানিয়েছেন শি।

মোমেন আর জানান, এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার সরকার রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমিতে প্রত্যাবাসন করতে চায়। কারণ, তারা এই অঞ্চলের শান্তির জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। তাদের মধ্যে অনেকেই অবৈধ মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায় জড়িয়ে গেছে। চীনের প্রেসিডেন্ট রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশকে সবসময় সমর্থন দিয়ে যাবে এবং বাংলাদেশের জ্বালানি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা করতে আগ্রহের কথা জানিয়েছেন শি জিনপিং। বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় পরিণত করতে সহযোগিতারও আশ্বাস দিয়েছেন শি।

আলোচনাকালে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় দুই হাজার কোটি মার্কিন ডলারের চীনা পণ্য আমদানি করেছে, যেখানে চীন মাত্র ৭০ কোটি মার্কিন ডলারের বাংলাদেশি পণ্য আমদানি করেছে। চীনের প্রেসিডেন্ট আশ্বস্ত করেছেন চীন-বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ঘাটতি হ্রাস করার উদ্যোগ নেবে। চীনের বাজারে ৯৮ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্যে শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশে কিছু চীনা বিনিয়োগ এলে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ব্যবধান কমবে। তিনি দুই দেশের মধ্যে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) স্বাক্ষরের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, বাংলাদেশ চীনে তাজা ফল যেমন আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, তাজা শাকসবজি এবং গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির খাদ্য রপ্তানি করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। শি জিনপিং এসব বিষয় নিয়ে অবশ্যই বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আগামী অক্টোবরে পদ্মা রেল সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করতে চীনের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। জবাবে চীনা প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তিনি অবশ্যই বাংলাদেশে আসবেন। তবে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সফরের সময় নির্ধারণ করা হবে। শি জিনপিং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকেও চীন সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।