ঢাকা, শুক্রবার ২৭, মার্চ ২০২৬ ১৮:০৩:৪১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সবাক সিনেমার প্রথম কণ্ঠশিল্পী মাহবুবা রহমান আর নেই দেড় ঘণ্টা আকাশে চক্কর, অল্পের জন্য রক্ষা মমতার বিমান ঢাকা বিমানবন্দরে ২৮ দিনে ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল রাজধানীতে সর্দি-কাশি-জ্বরের প্রকোপ দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম

সন্তানের মৃত্যুশোকে অক্সিজেন মাস্ক খুলে মায়ের আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:৪৯ পিএম, ৩১ মে ২০২১ সোমবার

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

করোনায় আক্রান্ত শিশু সন্তানের মৃত্যুর খবর শুনে নিজের মুখের হাইফ্লো নজেলের অক্সিজেন মাস্ক খুলে মা নিজেও আত্মহত্যা করলেন। আজ সোমবার বিকেলে একই সঙ্গে মা ও সন্তানের দাফন হয়েছে। হৃদয় বিদারক এ ঘটনায় চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি চিকিৎসকরাও।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপতালের করোনা ইউনিটে রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে। আজ মা ও সন্তানদের দাফন করেছে কুমিল্লার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বিবেক’।

অক্সিজেন মাস্ক খুলে মারা যাওয়া ওই মায়ের নাম ফারজানা আক্তার (২৭)।  তিনি তার স্বামীর সঙ্গে সৌদি আরবে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছিলেন। সম্প্রতি তারা দেশে এসেছেন।   

জানা গেছে, কুমিল্লা বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের হরিশাপুর গ্রামের সোহেল পাটোয়ারীর স্ত্রী ফারজানা আক্তার অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৭ মে থেকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি ছিলেন। গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় একটি ফুটফুটে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন তিনি। কিন্তু মা ফারজানা আক্তার করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কারণে শিশুর শরীরেও এর প্রভাব ছিল, যার কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়।

পরিবারের সদস্যদের কাছে সন্তানের মৃত্যু সংবাদ শুনে তা সহ্য করতে না পেরে ওই মা নিজের অক্সিজেন মাস্ক খুলে ফেলেন। এরপরই দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকরা টের পেয়ে তাকে আবার মাস্ক পরাতে যান। কিন্তু তিনি মাস্ক পরতে অনীহা প্রকাশ করেন।

ফারাজানা আক্তার এ সময় ডাক্তারদের বলেন, ‘আমার সন্তান যখন বেঁচে নেই তখন আমারও বেঁচে থেকে লাভ নেই।’ 

ডাক্তাররা জোড়চেষ্টা করেন। তিনি মাস্ক পড়েননি। এ পরিস্থিতি মা  ফারজানা আক্তার কিছুক্ষণ পরে নিজেও মৃত্যুবরণ করেন। করোনায় আক্রান্ত গর্ভবতী মায়ের গর্ভ থেকে জন্ম নেওয়া সদ্যজাত শিশুপুত্র জন্মের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর মৃত্যুবরণ করেন তিনি।