সন্তান ধারনে এইডস আক্রান্ত নারীর ঝুঁকি বেশি
স্বাস্থ্য ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০৯:০০ পিএম, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ শুক্রবার
প্রতীকী ছবি
তেত্রিশ বছর বয়সী আয়েশা (ছদ্মনাম) দু’ সন্তান নিয়ে সুখেই ছিলেন। স্বামী থাকেন মধ্য প্রাচ্যের একটি দেশে। প্রায় প্রতি বছরই ১৫ দিন থেকে এক মাসের জন্য বাড়ি আসে। শেষ এসেছিলেন পাঁচ মাস আগে। বিশ দিন পরিবারের সাথে থেকে আবার চলে যান নিজের কর্মস্থলে। স্বামী যাওয়ার কিছুদিন পরই আয়েশা বুঝতে পারেন তৃতীয়বারের মত মা হতে যাচ্ছেন তিনি। খবরটা শুনে ভালোই ছিলেন। কিন্তু তার কয়েকদিন পর থেকে তার শরীরটা খারাপ করতে থাকে। প্রায়ই রাতে হালকা জ্বর আসে।
শুরুতে খুব বেশি পাত্তা না দিলেও শরীর বেশি খারাপ হয়ে গেলে দেখা করেন তাদের পারিবারিক গাইনোলজিষ্টের সাথে। তিনি বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে দেন। সেসব পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে ডাক্তার জানান যে, আয়েশা এইচআইভি এইডসে আক্রান্ত। ডাক্তারের কথা শুনে মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে তার।
ডাক্তার তাকে আশ্বাস দেন এইচআইভি পজিটিভ নারী সন্তান নিতে পারবেন না, এমন কোন কথা নেই। তবে এক্ষেত্রে বেশ ঝুঁকি রয়েছে।
গাইনোকলজিষ্ট ডা. মনোয়ারা হক বলেন, একজন এইচআইভি পজিটিভ নারীও সন্তান নিতে পারবেন। তবে ঝুঁকি রয়েছে।
তিনি বলেন, এক্ষেত্রে বেশ কিছু উপায়ে মা থেকে শিশু আক্রান্ত হতে পারে। যেমন গর্ভাবস্থায় শিশু আক্রান্ত পারে। এছাড়া প্রসব এবং বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়ও শিশু আক্রান্ত হতে পারে। গর্ভাবস্থায় এইচআইভি প্লাসেন্টার মাধ্যমে ভ্রুণে যেতে পারে এবং ভ্রুণকে সংক্রমিত করতে পারে।
তিনি বলেন, প্রসবের সময় শিশু মায়ের রক্ত ও অন্যান্য তরলের মাধ্যমেও ভাইরাসের সংস্পর্শে আসতে পারে। এছাড়াও শিশু বুকের দুধ পান করার সময়ও আক্রান্ত হতে পারে। এজন্য বর্তমানে প্রত্যেক নারীকে সন্তান ধারনের সময় অবশ্যই এইচআইভি টেষ্ট করানোর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারেরা।
তিনি বলেন, এইচআইভি আক্রান্ত নারীদের সন্তান ধারনের সময় এবং এরপর থেকে অবশ্যই বেশি রকমের সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। আগে থেকে সতর্ক থাকলে ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।
ডা. হক বলেন, এ সময় শিশুর সুরক্ষার জন্য অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল চিকিৎসা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ চিকিৎসা নিলে শিশুর সংক্রমনের ঝুঁকি এক শতাংশের নিচে নেমে আসে। এছাড়াও যেসব নারী আগে থেকে এ ভাইরাসে আক্রান্ত এবং সন্তান ধারনের পরিকল্পনা করছেন তাদের অবশ্যই অগ্রীম ডাক্তারের সাথে অলোচনা করার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি বলেন, বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে চললে এবং সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে এইচআইভি আক্রান্ত নারীও সুস্থ থাকেন এবং শরীরে ভাইরাসের পরিমান কমে আসে। এছাড়াও এইচআইভিতে আক্রান্ত নারী যদি তার সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ান তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
- চলে গেলেন `সুপারম্যান` সিনেমার অভিনেত্রী ভ্যালেরি পেরিন
- কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী হাসপাতালে ভর্তি
- ‘প্রতিটি শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’
- ২৫ মার্চের গণহত্যা ছিল একটি সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী
- স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন
- জাবি ছাত্রী শারমীন হত্যা: স্বামী ফাহিম ২ দিনের রিমান্ডে
- বিশ্ববাজারে আজও কমলো স্বর্ণের দাম
- একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতিতে কাজ করবে সরকার: শামা ওবায়েদ
- বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের ১০ লাখ টাকা ঋণের নির্দেশ
- ঈদের আমেজ, রাজধানী আজও বেশ ফাঁকা
- ইরানে বাড়ি ও পার্কে হামলা, ৬ জন নিহতের দাবি
- নিউইয়র্কের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে গাড়ির সঙ্গে বিমানের সংঘর্ষ
- আজও ঢাকা চিড়িয়াখানায় মানুষের ব্যাপক ভিড়
- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল
- ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ
- জাবি ছাত্রী শারমীন হত্যা: স্বামী ফাহিম ২ দিনের রিমান্ডে
- একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতিতে কাজ করবে সরকার: শামা ওবায়েদ
- বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের ১০ লাখ টাকা ঋণের নির্দেশ
- বিশ্ববাজারে আজও কমলো স্বর্ণের দাম
- ‘প্রতিটি শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’
- ২৫ মার্চের গণহত্যা ছিল একটি সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী
- কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী হাসপাতালে ভর্তি
- স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন
- চলে গেলেন `সুপারম্যান` সিনেমার অভিনেত্রী ভ্যালেরি পেরিন


