ঢাকা, মঙ্গলবার ২৪, মার্চ ২০২৬ ১:০০:৪০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
নিউইয়র্কের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে গাড়ির সঙ্গে বিমানের সংঘর্ষ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে সব পেট্রোল পাম্প সাত দিন ছুটির পরে কাল খুলছে অফিস-আদালত ইরানসহ চার দেশের সঙ্গে ইইউর কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার

সুশান্তর মৃত্যু: সামাজিক মাধ্যমে তোপের মুখে রিয়া

বিনোদন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:৩৪ পিএম, ৮ আগস্ট ২০২০ শনিবার

সুশান্তর মৃত্যু: সামাজিক মাধ্যমে তোপের মুখে রিয়া

সুশান্তর মৃত্যু: সামাজিক মাধ্যমে তোপের মুখে রিয়া

বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মতো সাধারণ মানুষের কাছে সুপরিচিত ছিলেন না তার বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী। বলিউডের এই অভিনেতার মৃত্যুর পরেই রিয়া চক্রবর্তীর নাম জানতে পারেন সাধারণ মানুষ। গণমাধ্যম আর সামাজিক মাধ্যমগুলোয় প্রকাশ পেতে থাকে মডেল ও অভিনেত্রী বাঙালি নারী রিয়ার নাম।

প্রশ্ন তোলা শুরু হয় তিনি কেন সামনে আসছেন না! জাতীয় টিভি চ্যানেলগুলি প্রচার করতে শুরু করে, 'কোথায় রিয়া' ইত্যাদি শিরোনাম।

আর কিছুদিন পর থেকে তার দিকেই আঙ্গুল তোলা শুরু হয়, যে তিনিই আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিয়েছেন সুশান্তকে। অভিযোগ ওঠে সুশান্তের মৃত্যুর পর তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫ কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছেন তিনি।

একদিকে যখন অভিযোগ তোলা হচ্ছে, অন্যদিকে রিয়া চক্রবর্তীকে একেবারেই দোষী বলে বিচার করে ফেলা হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে।

তাকে 'হত্যাকারী', গোল্ড-ডিগার', 'উইচ' বা ডাইনি, ইত্যাদি বিশেষণে ভূষিত করা হতে থাকে, অন্যদিকে কেউ আবার তাকে ধর্ষণ করার হুমকি দেয় কেউবা আবার রিয়াকে আত্মহত্যা করতে নির্দেশ দেয়।

সুশান্তের মৃত্যুর প্রায় দেড় মাস পরে তার বাবা বিহার পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন রিয়া এবং তার পরিবার এবং আরও কয়েকজনের নামে। অভিযোগ দুটি: এক, তারাই সুশান্তকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিয়েছেন। আর দুই, তিনি মারা যাওয়ার পরে ব্যাঙ্ক থেকে টাকা সরিয়েছেন।

বিহার পুলিশ আর মুম্বাই পুলিশের মধ্যে তদন্ত নিয়ে শুরু হয় অভূতপূর্ব টানাপড়েন। এরপরেই বিহার সরকার আবেদন করে যে এই মৃত্যুর তদন্ত করুক কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো বা সিবিআই।

কেন্দ্রীয় সরকার তাতে সায় দেয়ার পর তদন্ত ভার তুলে দেওয়া হয়েছে সিবিআইয়ের হাতে।