সুশীলা কারকির উত্থান যেভাবে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ১১:০৭ এএম, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ রবিবার
ছবি: সংগৃহীত
নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন। সম্প্রতি দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের পর দেশটি কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকটে পড়েছে। আর এ পরিস্থিতি অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে এসেছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করাকে কেন্দ্র করে নেপালে গত সপ্তাহে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫১ জন নিহত হন। বিক্ষোভের মুখে গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগ করেন কে পি শর্মা অলি। এরপর গত শুক্রবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে সুশীলা কারকিকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দুর্নীতির প্রতি জিরো টলারেন্স (শূন্য সহনশীলতা) নীতি দেখিয়েছিলেন সুশীলা কারকি। এর মধ্য দিয়ে বেশ পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি। সুশীলা প্রভাবশালী গোষ্ঠীর স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। আর এটাই হয়তো তাঁর সর্বোচ্চ বিচারিক পদ হারানোর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
কারণ, দায়িত্ব নেওয়ার এক বছরের কম সময়ের মধ্যে সরকার তাঁকে অভিশংসনের উদ্যোগ নেয়। জনগণের চাপে সেই প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত বাতিল হলেও হতাশ হয়ে সুশীলা কারকি নিজেই পদত্যাগ করেন।
রয়টার্সকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জে এল ভান্ডারি বলেন, ‘তাঁর (সুশীলা) বিরুদ্ধে অভিশংসনের প্রস্তাব আনা হয়েছিল…কিন্তু তিনি কখনো নিজের নীতি থেকে সরেননি। নেপালের সংকট সামলানোর জন্য তিনিই জুতসই পছন্দ।’
সম্প্রতি নেপালে বিক্ষোভের মুখে কে পি শর্মা অলি পদত্যাগ করার পর সহিংসতা কিছুটা থেমেছে। তবে এখনো দেশটির কিছু এলাকায় বিধিনিষেধ জারি রয়েছে। সেনারা রাস্তায় টহল দিচ্ছেন এবং জনগণের আস্থা হারানো প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারা গা ঢাকা দিয়েছেন।
এই পরিস্থিতিতে রাজনীতি বা প্রশাসনে তেমন অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও সুশীলা কারকিকে অন্তর্বর্তী প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নেপালের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী দীপেন্দ্র ঝা ১০ বছর সুশীলা কারকির সঙ্গে কাজ করেছেন। রয়টার্সকে দীপেন্দ্র বলেন, ‘তিনি (সুশীলা) ভালো পছন্দ, তবে তাঁর সঙ্গে একটি ভালো দল থাকতে হবে।’
পাট চাষের জন্য পরিচিত শঙ্করপুর গ্রামে ১৯৫২ সালে জন্মগ্রহণ করেন সুশীলা কারকি। সাত ভাই–বোনের মধ্যে বড় তিনি। কৃষক পরিবারে জন্ম নেওয়া সুশীলা ভারতের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন। ১৯৭৯ সালে তিনি আইন পেশায় যোগ দেন।
শিক্ষার্থী থাকাকালে সুশীলা কারকি নেপালি কংগ্রেস (এনসি) দলে যুক্ত ছিলেন। সে সময় রাজনীতিতে তাঁর বেশ প্রভাব ছিল। পরে ১৯৯০-এর দশকে পঞ্চায়েতব্যবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নেন সুশীলা। এ সময় তিনি কিছুদিন জেলেও ছিলেন।
২০১৬ সালে থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুশীলার ছোট বোন জুনু দাহাল বলেছিলেন, ‘শৈশব থেকেই তিনি সবাইকে সমান চোখে দেখতেন এবং আমাদের স্কুলে যেতে উৎসাহ দিতেন।’
ওই বছরই সুশীলা প্রধান বিচারপতি হন।
গত বুধবার ভারতীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন-নিউজ এইটিন–কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুশীলা কারকি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তিনি নেপালের উন্নয়নে কাজ করবেন। তিনি বলেন, ‘আমরা দেশের জন্য নতুন কোনো সূচনার চেষ্টা করব।’
- পোস্টাল ভোট: ১৪৮ দেশে নিবন্ধন, সৌদি আরব শীর্ষে
- ‘এখন আরও দ্বিগুণ উদ্যমে কাজ করছি’
- চ্যাম্পিয়ন সাবিনাদের জন্য ছাদখোলা বাস
- পুকুর পাড়ে হলুদ শাড়িতে ভাবনা
- ‘শৈশবে ফিরলেন’ নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেটাররা
- নারীর অংশগ্রহণ কমে যাওয়া অর্থনীতিতে সতর্ক সংকেত
- ইরান অভিমুখে আরও মার্কিন নৌবহর
- বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
- বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে থানায় আশ্রয় নিলেন কনে
- রাউজানে নলকূপের গর্তে পড়া সেই শিশুকে মৃত ঘোষণা
- ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শত শত তদবির, আগে টাকা দিলেই কাজ হতো’
- কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
- আমলকির তেল কি চুল পড়া বন্ধ করে?
- এক বছরে ১৭ লাখ শিশুর জন্ম অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে
- হামলা-অপমানে ভাঙছে মাঠপুলিশের মনোবল
- নারী, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিষয়ে ১০ দফা সুপারিশ
- ‘কিছুই পাল্টায়নি, এখনও মেয়েদের হেনস্তা করা হচ্ছে’
- সারা দেশে অবাধে শিকার ও বিক্রি হচ্ছে শীতের পাখি
- ৩ দিন চলবে না মোটরসাইকেল, একদিন মাইক্রো-ট্রাক
- আয়রনের ঘাটতি, যে কারণে শুধু সাপ্লিমেন্ট যথেষ্ট নয়
- সাবস্ক্রিপশন পরীক্ষা করবে মেটা
- মেয়েদের টানা জয়ের প্রভাব পড়েছে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে
- নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই: পাপিয়া
- ঋতুপর্ণার হ্যাটট্রিকে ১৩-০ গোলের জয়
- দুবাইয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ‘স্বর্ণের রাস্তা’
- স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব ভাঙলেন সাইফ কন্যা
- প্রধান উপদেষ্টার কাছে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ
- ১৭ বছর বড় বড় গল্প শুনেছি: তারেক রহমান
- গণভোট নিয়ে কারিগরি-মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ৮ উদ্যোগ
- ৪০ হাজার কোটির রাজস্ব হলেও ক্ষতি ৮৭ হাজার কোটি











