ঢাকা, রবিবার ২৯, মার্চ ২০২৬ ২০:৩৩:৫০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
টিউলিপকে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ ১১ জেলার ডিসি প্রত্যাহার, নতুন ডিসি নিয়োগ কর কর্মকর্তা তানজিনা সাময়িক বরখাস্ত পর্যটন খাত উন্নয়নে বাংলাদেশ-নেপাল যৌথভাবে কাজ করবে বিশ্ববাজারের প্রভাব, দোলাচলে সোনার দাম ইরানে একদিনে সর্বোচ্চ হামলার রেকর্ড

অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা সাময়িক স্থগিতা করলো ৩ দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৬:০৯ পিএম, ১২ মার্চ ২০২১ শুক্রবার

অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা সাময়িক স্থগিতা করলো ৩ দেশ

অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা সাময়িক স্থগিতা করলো ৩ দেশ

অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি কোভিড টিকার ব্যবহার সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ডেনমার্ক, নরওয়ে এবং আইসল্যান্ড। ওই দেশগুলিতে অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি টিকা নেওয়ার পর রক্ত জমাট বাঁধার কয়েকটি ঘটনা প্রকাশিত হয়েছে। যদিও ইউরোপের ওষুধের উপর নজরদারি করা সংস্থা এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকা জানিয়েছিল এই টিকা নিরাপদ।

প্রথম এই টিকার ব্যবহারের উপর স্থগিতাদেশ দেয় ডেনমার্ক। সে দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় জানিয়েছে, কোভিড টিকার নেওয়া ব্যক্তিদের রক্ত জমাট বাঁধার গুরুতর সমস্যার রিপোর্ট সামনে আসার পর এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই পদক্ষেপ সতর্কতামূলক। টিকা নেওয়ার ঠিক কতটা সময় রক্ত জমাটের সমস্যা দেখা দিয়েছে, তা সঠিক ভাবে নির্ণয় করা যায়নি। তবে টিকার সঙ্গে রক্ত জমাট বাঁধার সম্পর্ক রয়েছে’।

একই সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে অস্ট্রিয়ায়। সেখানে অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড টিকা নেওয়ার কয়েক দিন পর ৪৯ বছরের এক নার্সের মৃত্যু হয় রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যায়। যে ব্যাচের টিকা নিয়ে এই ঘটনা ঘটেছে সেই ব্যাচের টিকার ব্যবহার বন্ধ করা হয়েছে সে দেশে।

অস্ট্রিয়ার পাঠানো ওই ব্যাচের টিকার ডোজ পৌঁছেছিল এস্টোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া এবং লুক্সেমবার্গেও। এই চারটি দেশও ওই ব্যাচের টিকার ব্যবহার স্থগিত রেখেছে। একই কারণে টিকার ব্যবহারে স্থগিতাদেশ এনেছে আইসল্যান্ড এবং নরওয়েও।

ভারতে ব্যবহৃত কোভিশিল্ড টিকা সিরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি হচ্ছে। এই টিকা আদতে অক্সফোর্ড এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকাই। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের এই সমস্ত রিপোর্ট সামনে আসার পর বিষয়টির উপর ‘তীক্ষ্ণ নজর’ রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন টিকাকরণের বিপ্রতীপ প্রভাব বিষয়ক কমিটির প্রধান নরেন্দ্র অরোরা।