ঢাকা, শুক্রবার ০৬, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৫:৩৭:৫২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
২০ ফেব্রুয়ারি শুরু অমর একুশে বইমেলা, চলবে ২৫ দিন ২০ ফেব্রুয়ারি শুরু অমর একুশে বইমেলা, চলবে ২৫ দিন বিশ্বকাপ ফুটবলের টিকেট মিলল কি না জানা যাবে আজ ববিতাসহ দশ বিশিষ্ট ব্যক্তি পাচ্ছেন একুশে পদক দেশে এসেছে ৩ লাখ ৭৯ হাজারের বেশি পোস্টাল ব্যালট

আজ বহুল প্রতীক্ষিত বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৩১ এএম, ২৮ অক্টোবর ২০২৩ শনিবার

ফাইল ছবি।

ফাইল ছবি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বহুল প্রত্যাশিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের উদ্বোধন করবেন।

তিনি পতেঙ্গায় কর্ণফুলী নদীর পশ্চিম তীরে একটি এবং টানেল পার হয়ে সকাল ১১টায় আনোয়ারায় নদীর দক্ষিণ তীরে আরেকটি ফলক উন্মোচন করবেন। এর মাধ্যমে টানেলের যুগে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ। এটিই দক্ষিণ এশিয়ায় নদী তলদেশের প্রথম ও দীর্ঘতম সড়ক সুড়ঙ্গপথ। উদ্বোধনের পর টানেল পাড়ি দিয়ে পতেঙ্গা থেকে আনোয়ারায় গিয়ে কোরিয়ান ইপিজেড মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। চট্টগ্রামবাসী তথা দেশবাসীর স্বপ্ন পূরণের এমন মাহেন্দ্রক্ষণে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও শেষ সময়ে এসে অতি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সফর।

জানা গেছে, দুপুর ১২টায় জনসভার মঞ্চে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। জনসভা শেষে তিনি ঢাকায় ফিরে আসবেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে প্রকাশিত স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম ও সিলমোহর অবমুক্ত করবেন প্রধানমন্ত্রী।

দক্ষিণ এশিয়ার কোনো নদীর তলদেশে দিয়ে তৈরি হওয়া এটাই প্রথম টানেল। এর নির্মাণকাজ শতভাগ শেষ। বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধনের পরদিন সকাল ৬টা থেকেই যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

ঢাকায় সেতু ভবনে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে সেতুমন্ত্রী বলেন, টানেল উদ্বোধন অনুষ্ঠান হবে পতেঙ্গা প্রান্তে। এরপর আনোয়ারা প্রান্তে কোরিয়ান ইপিজেডের মাঠে একটি জনসভা হবে। টানেলের মাধ্যমে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার জাতীয় মহাসড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, টানেলটি প্রস্তাবিত এশিয়ান হাইওয়েকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত করবে এবং দূরত্ব ৪০ কিলোমিটার কমিয়ে দেবে। কর্ণফুলী নদীর উভয় পাশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং চীনের সাংহাই শহরের ন্যায় চট্টগ্রামকে ‘ওয়ান সিটি অ্যান্ড টু টাউন’ মডেলে গড়ে তোলাই প্রকল্পের উদ্দেশ্য।