ঢাকা, রবিবার ২৫, অক্টোবর ২০২৬ ১০:৫২:৩০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
এইচএসসির ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা আজ আজ লক্ষ্মীপূজা স্বর্ণের দামে টানা তিন দফায় পতন আজ ঢাকায় আসছেন জার্মান ভাইস মিনিস্টার রাজধানীতে প্রতিদিন গড়ে ভাঙছে প্রায় ৪৪টি সংসার সৌদিতে বাংলাদেশি নারী কর্মীদের সুরক্ষার ব্যবস্থা কতটা আছে

ইন্দোনেশিয়া: বন্ধ হচ্ছে নারী সেনা নিয়োগে কুমারীত্ব পরীক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৩৬ পিএম, ১৩ আগস্ট ২০২১ শুক্রবার

ইন্দোনেশিয়া: বন্ধ হচ্ছে নারী সেনা নিয়োগে কুমারীত্ব পরীক্ষা

ইন্দোনেশিয়া: বন্ধ হচ্ছে নারী সেনা নিয়োগে কুমারীত্ব পরীক্ষা

ইন্দোনেশিয়ায় নারীদের সেনা বাহিনীতে নিয়োগের জন্য  কুমারী প্রমাণ করার প্রথা বন্ধ হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশাবলী প্রকাশ করা হবে।

ইন্দোনেশিয়ায় যেসব নারী সেনাবাহিনীর যে কোন শাখায় যোগদান করতে চায়, কয়েক দশক ধরে চালু প্রথা অনুযায়ী তাদের কুমারীত্বের পরীক্ষা দেয়ার বিধান আছে। তাদের হাইমেন বা সতীচ্ছদ অক্ষত আছে কিনা তা দেখার জন্য একাধিক আঙুল ব্যবহার করে এই পরীক্ষা চালানো হয়।

এই পরীক্ষায় কুমারীত্ব প্রমাণ করতে ব্যর্থ হলে সেই নারীর আবেদন প্রত্যাখান করা হয় এবং সেনাবাহিনীতে কেরিয়ার গড়ার সেখানেই ইতি ঘটে।

কোন কোন ক্ষেত্রে এমনকি সেনাবাহিনীর অফিসার যে নারীকে বিয়ে করবেন, সেই নারীকেও একই পদ্ধতিতে প্রমাণ করতে হয় যে বিয়ের আগে তার যোনিমুখের সূক্ষ্ম পর্দা বা সতীচ্ছদ ছেঁড়েনি।

এই পরীক্ষা সেনাবাহিনীতে যোগদানের জন্য নারী আবেদন প্রার্থীদের সার্বিক মেডিকেল পরীক্ষার অংশ, যে পরীক্ষায় একজন নারীর সেনাবাহিনীতে যোগদানের জন্য শারীরিক সুস্থতা যাচাই করে দেখা হয়।

ইন্দোনেশিয়াতে কুমারীত্বের এই পরীক্ষা দিতে হয় শুধু নারী আবেদনকারীদের। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বেশ কয়েক বছর ধরে এই প্রথাকে বৈষম্যমূলক এবং নিপীড়নমূলক বলে এর নিন্দা জানিয়ে আসছে।

ইন্দোনেশিয়ায় হিউমান রাইটস ওয়াচের গবেষক অ্যান্ড্রিয়াস হাসর্নো বলেছেন, কুমারীত্ব পরীক্ষা মেয়েদের ওপর একটা লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতা এবং খুবই অপমানজনক একটা প্রথা।

তিনি বলেন, এই পরীক্ষায় নারীর যোনিতে দুই আঙুল ব্যবহার করে তার সতীচ্ছদ বা হাইমেন অক্ষত আছে কিনা অর্থাৎ সে কুমারী কিনা তা পরীক্ষা করা হয়।

এই অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যাওয়া বহু নারী যারা মানবাধিকার সংগঠনটির সাথে কথা বলেছেন তারা বলেছেন এটি তাদের জন্য খুবই ‘কষ্টকর পদ্ধতি’।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে এক রিপোর্টে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে যে এই পরীক্ষার মাধ্যমে কুমারীত্ব পরীক্ষা ‘বিজ্ঞানসম্মত ভাবে অপ্রমাণিত পদ্ধতি’।সূত্র: বিবিসি