ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৫, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:৩৩:৫৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
২০ ফেব্রুয়ারি শুরু অমর একুশে বইমেলা, চলবে ২৫ দিন ২০ ফেব্রুয়ারি শুরু অমর একুশে বইমেলা, চলবে ২৫ দিন বিশ্বকাপ ফুটবলের টিকেট মিলল কি না জানা যাবে আজ ববিতাসহ দশ বিশিষ্ট ব্যক্তি পাচ্ছেন একুশে পদক দেশে এসেছে ৩ লাখ ৭৯ হাজারের বেশি পোস্টাল ব্যালট

ঈদুল আজহার দিনে ফাঁকা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:২৩ পিএম, ১০ জুলাই ২০২২ রবিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ঈদুল আজহার দিনে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত অনেকটাই ফাঁকা দেখা গেছে। প্রতিবছর এমন দিনে সমুদ্র সৈকতে বহু পর্যটক ও স্থানীয় দর্শনার্থীদের ভিড় থাকত। তবে এবার কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে হাতেগোনা স্থানীয় কিছু দর্শনার্থী ছিল ঈদুল আহজার দিনে।

রোববার (১০ জুলাই) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এমনই চিত্র দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন সৈকতে দায়িত্বরত বিচকর্মীরা।

কক্সবাজার সৈকতে দায়িত্বরত বিচকর্মীদের দলনেতা মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, ঈদুল আজহার দিনে পর্যটক ও স্থানীয় দর্শনার্থী আসার সম্ভবনা মাথায় রেখে বিচকর্মীসহ সংশ্লিষ্টরা নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করেন। বিকেলের দিকে লাবণী পয়েন্ট, সুগন্ধা পয়েন্ট এবং কলাতলী পয়েন্টে হাতে গোনা দর্শনার্থী সৈকতে নামেন, যাদের ৯০ শতাংশই স্থানীয়। এ ছাড়া বিচ্ছিন্নভাবে কিছু পর্যটক দেখা গেছে।

ঈদুল আজহার দিন থেকে পর্যটক আসবে এমন আশায় ছিলেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। তবে কাঙ্ক্ষিত পর্যটক না আসায় সৈকত এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা হতাশ।

লাবণী পয়েন্ট বিচপার্ক ছাতা মার্কেটের চটপতি দোকানদার আবদুল হালিম বলেন, ঈদুল আজহার দিনে যেমনটি আশা ছিল তেমন হয়নি। দুপুর থেকে দোকান খুলে সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত মাত্র ৫/৭ জন ক্রেতা এসেছে।

সৈকতের ভ্রাম্যমাণ ঝালমুড়ি বিক্রেতা আবদুশ শুক্কুর বলেন, অল্পসংখ্যক যে দর্শনার্থী দেখা গেছে তারা স্থানীয় হওয়ায় বেচাবিক্রি একেবারেই হয়নি।

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোরবানির বিষয় থাকায় আজ অন্যান্য বছরের ঈদের দিনের মতো পর্যটক সমাগম হয়নি। কিন্তু আজকের ঈদুল আজহার দিনের চিত্রটি গত বছরের থেকে অনেক খারাপ।

এদিকে এবারের ঈদুল আজহার ছুটিতে হোটেল-মোটেল অগ্রিম বুকিং কম হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এমন বিপর্যয় নিয়ে চরম হতাশ তারা। একই সঙ্গে অগ্রিম হোটেল বুকিং না হওয়ায় ঈদুল আজহার ছুটিতে মারাত্মক পর্যটক খরার আশঙ্কায় রয়েছেন সব ধরনের পর্যটন ব্যবসায়ীরা।