ঢাকা, মঙ্গলবার ২৪, মার্চ ২০২৬ ১৯:২১:০৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
নিউইয়র্কের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে গাড়ির সঙ্গে বিমানের সংঘর্ষ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে সব পেট্রোল পাম্প সাত দিন ছুটির পরে কাল খুলছে অফিস-আদালত ইরানসহ চার দেশের সঙ্গে ইইউর কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার

ঈদে কাশিমপুরের বন্দিরা পেলেন নতুন পোশাক ও বিশেষ খাবার

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:৫৯ এএম, ৩ মে ২০২২ মঙ্গলবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

কাশিমপুর কারাগারের বন্দিরা ঈদে নতুন পোশাক পেয়েছেন। এ ছাড়া এবারও ঈদের দিন বন্দিদের জন্য বিশেষ খাবার পরিবেশনের উদ্যোগ নিয়েছেন কারা কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (৩ মে) সকালে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এর সুপার মো. নুরুন্নবী ভূঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের দিনে এসব কারাগারে বিশেষ খাবারের সকালে পায়েস—মুড়ি, দুপুরে মাংস—পোলাও, মিষ্টি, সালাদ, পান সুপারি, এবং রাতে ভাত, রুই মাছ, ছোলার ডাল দেয়া হবে।

মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের সুপার মোসা. হালিমা খাতুন বলেন, জেলা প্রশাসন ও কারাগারের সহায়তায় ঈদে ২৬৫ দরিদ্র নারী বন্দী ও তাদের সঙ্গে থাকা ৮০ জন শিশুকে নতুন জামা দেওয়া হয়েছে। এ কারাগারে মোট বন্দীর সংখ্যা ৭০০। তাদের মধ্যে মৃত্যু-দণ্ডপ্রাপ্ত ৩০ জন এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত প্রায় অর্ধশত।

কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ সুপার আব্দুল জলিল বলেন, কাশিমপুর কারাগারে ৩ হাজার বন্দী আছেন। তাদের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রায় ১ হাজার ও যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দী আছেন ৬০০ জন। ঈদ উপলক্ষে কারাগারের দরিদ্র ১ হাজার ২৮ জন বন্দীকে নতুন লুঙ্গি দেওয়া হয়েছে।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এর সুপার মো. নুরুন্নবী ভূঁইয়া বলেন, এখানে বন্দীর সংখ্যা প্রায় দেড় হাজার। তাদের মধ্যে ৭১ জন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি আছেন শতাধিক। ঈদ উপলক্ষে গতকাল ১০০ দরিদ্র বন্দীকে লুঙ্গি দেওয়া হয়েছে।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর সুপার মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, গত শনিবার জেলা প্রশাসনের সহায়তায় ১৫০ দরিদ্র বন্দীকে লুঙ্গি দেওয়া হয়েছে। এ কারাগারে বন্দির সংখ্যা দুই হাজার ৭৯৮ জন। তাদের মধ্যে শতাধিক ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত এবং চার শতাধিক যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দী আছেন।