উন্নয়নের পদক্ষেপে সুন্দরবন যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০১:৪২ পিএম, ১৬ জুন ২০২১ বুধবার
ছবি: সংগৃহীত
বর্তমান সরকার সুন্দরবন ও এর জীব বৈচিত্র্য রক্ষার বিষয়ে সব সময় আন্তরিক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের উন্নয়নে যে পদক্ষেপেই নেয়া হোক না কেন, সুন্দরবন এবং এর জীব বৈচিত্র্য যেন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত আসনের বেগম সুলতানা নাদিরার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
এসময় সরকারপ্রধান আরও জানান, সুন্দরবনের আয়তন বাড়ানোর জন্য সরকার কৃত্রিম ম্যানগ্রোভ সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে। সমগ্র উপকূলীয় অঞ্চলে এর বিস্তৃতি ঘটানোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। একই সাথে সুন্দরবনের বৃক্ষাদি এবং বন্যপ্রাণী রক্ষার জন্য তথা বন অপরাধ দমনের জন্য স্মার্ট পেট্রোলিংসহ নানাবিধ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ক্যামেরা ট্র্যাপিংয়ের মাধ্যমে ২০১৫ সালে বাঘ শুমারি অনুযায়ী সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ছিলো ১০৬টি। ২০১৮ সালের শুমারিতে এর সংখ্যা ১১৪টি পাওয়া গেছে। সুন্দরবনের কার্বন মজুদের পরিমাণি ২০০৯ সালের ১০৬ মিলিয়ন টন থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৯ সালে ১৩৯ মিলিয়ন টন হয়েছে।
তিনি জানান, জীব বৈচিত্র্যের আধার সুন্দরবনে এখন ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ, ১৬৫ প্রজাতির শৈবাল, ১৩ প্রজাতির অর্কিড এবং ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণি রয়েছে। বন্যপ্রাণির মধ্যে ৪২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৩৫ প্রজাতির সরীসৃপ, ৮ প্রজাতির উভচর, ৩১৫ প্রজাতির পাখি, ২১০ প্রজাতির মাছ, ২৪ প্রজাতির চিংড়ি ও ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া আছে।
সুন্দরবনের গাছপালা ও বন্যপ্রাণিকূলকে রক্ষার জন্য বনকর্মীদের যুগোপযোগী করে তুলে এদের সংখ্যা বৃদ্ধির পদক্ষেপের কথাও জানান সরকার প্রধান।
২০১৭ সালে বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য এলাকা সম্প্রসারণ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে সুন্দরবনের প্রায় ৫৩% এলাকা অভয়ারণ্যের অন্তর্ভুক্ত।
মাছ উৎপাদন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি
সরকারদলীয় সাংসদ সহিদুজ্জামানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার দেশের মংস্য সম্পদ রক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কার্যকর ও ফলপ্রসূ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তাই গত ১১ বছরে মাছ উৎপাদন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতিসংঘের ২০২০ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী স্বাদু পানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে। এখন আমরা মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। বর্তমানে দৈনিক ৬০ গ্রামে চাহিদার বিপরীতে ৬২ দশমিক ৫৮ গ্রাম মাছ গ্রহণ করছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির জন্য ২০০০ সালে ৬৯৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা রিজার্ভ হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং তা সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এছাড়াও ইকোফিশ প্রকল্পের সহায়তায় নিঝুমদ্বীপ সংলগ্ন এলাকায় ৩ হাজার ১৮৮ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা এমপিএ হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে মা ইলিশ ধরা নিষিদ্ধের সময়ে ৫১ দশমিক ২ ভাগ ডিম দেয়ার সুযোগ পেয়েছে। ২০০৮-৯ অর্থবছরে ইলিশ উৎপাদন ছিলো ২ লাখ ৯৯ হাজার মে.টন। আর ২০১৯-২০ অর্থবছরে উৎপাদন ৫ লাখ ৫০ হাজার মে.টন।
-জেডসি
- কেপ ভার্দের কঠিন পরীক্ষায় পাস করে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা
- মেসিদের সামনে রূপকথার কেপ ভার্দে
- রাজধানীর পাখিরা: কংক্রিটের নগরীতে ডানা মেলে জীবনের গান
- স্বপ্নে রঙ মেশানো মানুষ মুস্তাফা মনোয়ার
- আজও বাল্যবিয়ের অন্ধকারে বাংলাদেশ
- সাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত
- হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানী
- নারী উন্নয়নে সরকার দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছে: পানিসম্পদমন্ত্রী
- ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৫৯৫
- এফডিসিতে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে শিল্পী সমিতির নির্বাচন
- নাটকীয় ম্যাচে প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে শেষ ষোলোতে পর্তুগাল
- বর্ষার শুরুতেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে উদ্যোগ জরুরি
- মাঝারি মানের বাতাসে ঢাকা আজ রাজধানী
- অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে শেষ ষোলোতে স্পেন
- সবজিতে স্বস্তি, মাছ-মাংসে চাপ, বেড়েছে ব্রয়লার ও কাঁচামরিচের দাম
- দেশের ৯ জেলায় ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
- আজও বাল্যবিয়ের অন্ধকারে বাংলাদেশ
- রাজধানীর পাখিরা: কংক্রিটের নগরীতে ডানা মেলে জীবনের গান
- নাটকীয় ম্যাচে প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে শেষ ষোলোতে পর্তুগাল
- এফডিসিতে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে শিল্পী সমিতির নির্বাচন
- অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে শেষ ষোলোতে স্পেন
- মেসিদের সামনে রূপকথার কেপ ভার্দে
- সাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত
- সবজিতে স্বস্তি, মাছ-মাংসে চাপ, বেড়েছে ব্রয়লার ও কাঁচামরিচের দাম
- স্বপ্নে রঙ মেশানো মানুষ মুস্তাফা মনোয়ার
- মাঝারি মানের বাতাসে ঢাকা আজ রাজধানী
- নারী উন্নয়নে সরকার দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছে: পানিসম্পদমন্ত্রী
- ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৫৯৫
- দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানী











