ঢাকা, বুধবার ১১, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:০৮:২০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
নেপালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস নদীতে, নিহত ১২ ঢাকায় ৩৯৪ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও ১৯৭ বিদেশি সাংবাদিক কানাডায় স্কুলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ১০ রাজধানী ফাঁকা, ভোটের টানে বাড়ি গেছে নগরবাসী ভোটের দিন পাঁচ ধরনের যানবাহন চলাচল নিষেধ সাভার-আশুলিয়া: ফাঁকা সড়ক-মহাসড়ক নারী ভোটারদের জন্য ব্যতিক্রমী উদ্যোগ চাঁদপুরে, সব কর্মকর্তা নারী

ক্যাম্পে মিয়ানমার প্রতিনিধি দল, রোহিঙ্গাদের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৭:০৪ পিএম, ২৭ জুলাই ২০১৯ শনিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

গণহত্যা ও নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা নাগরিককে নিজ দেশে ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে আলোচনা করতে একটি প্রতিনিধি দল দুই দিনের সফরে এসেছে। সফরের প্রথম দিনে শনিবার তারা কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যায়। এ সময় ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গারা বিক্ষোভ করে। মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দিয়ে তাদেরকে নিজ দেশে ফিরিয়ে নেয়া দাবি জানায় রোহিঙ্গারা।

দুপুরে মিয়ানমারের ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যায়। তাদের সঙ্গে ছিলেন ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম সরওয়ার কামাল ও উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নিকারুজ্জামানসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

পরিদর্শনে আসা দলটি বিকালে রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বৈঠক করেন।  এ সময় উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পে বিক্ষোভ শুরু করে রোহিঙ্গারা।

রোহিঙ্গারা বলেন, ‘আমরা বাঙালি নই, আমরা রোহিঙ্গা। মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে আমাদের ফিরিয়ে নিতে হবে। অন্যথায় আমরা ফিরে যাব না।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, মিয়ানমারের সৃষ্টি করা রোহিঙ্গা সংকট কাটাতে এবং প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে বাংলাদেশ-মিয়ানমারের মধ্যে গঠিত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিনিধি দলটি কক্সবাজার সফর করছে। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে গত ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়। ওই চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে গত ২০১৭ সালের ১৯ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়।

রোহিঙ্গ সংকট সমাধানে গত ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে নেপিডোর সঙ্গে সই করা চুক্তিতে উল্লেখ ছিল, ‘৯ অক্টোবর ২০১৬ এবং ২৫ আগস্ট ২০১৭ সালের পর যে সকল রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে তাদেরকে ফেরত নিবে মিয়ানমার। চুক্তি স্বাক্ষরের দুই মাসের মধ্যে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হবে।’

পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, চুক্তি স্বাক্ষরের পর প্রায় দেড় বছর পার হলেও প্রত্যাবাসন বিষয়ে মিয়ানমারের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। উল্টো একাধিক অজুহাতে প্রত্যাবাসনের বিষয়টি এড়িয়ে গেছে নেপিডো।

জাতিসংঘসহ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং কানাডার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা এরই মধ্যে জানিয়েছে যে প্রত্যাবাসনের জন্য কোনো অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেনি মিয়ানমার। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমার সরকার আন্তরিক নয়।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন শুরু হলে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে প্রায় সাত লাখেরও বেশি মানুষ। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের একাধিক শিবিরে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে।

-জেডসি