ঢাকা, সোমবার ১৫, জুন ২০২৬ ৩:১৫:১৮ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
আজ রাতে জার্মানির মুখোমুখি হচ্ছে ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র কুরাসাও নারীদের জন্য ১৫০০ বেডের দুটি হাসপাতাল হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু কনোলির বিধ্বংসী ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার নাটকীয় জয় এইচএসসি পরীক্ষায়ও থাকছে সিসিটিভির নজরদারি মিরপুর স্টেডিয়ামে খেলা উপভোগ করছেন জাইমা রহমান বাজেটে সরকার সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে শিক্ষাকে: শিক্ষামন্ত্রী

গণতন্ত্র-গণমাধ্যম পরস্পরের সঙ্গে সমানভাবে চলে : ইনু

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ১০:০৭ পিএম, ২২ অক্টোবর ২০১৮ সোমবার

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, গণতন্ত্র এবং গণমাধ্যম পরস্পরের সঙ্গে সমানভাবে চলে। বাংলাদেশে এই দুটোরই বিকাশ ঘটেছে। নারী সাংবাদিকদের সংখ্যা বেড়েছে। এখন প্রয়োজন মান ও দক্ষতা বাড়ানো। 


তিনি বলেন, ডিজিটাল দুনিয়ায় উগ্রবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার ঠেকাতে সংবাদমাধ্যমকে সরকারের সঙ্গে এক হয়ে কাজ করতে হবে।

 

আজ রোববার রাজধানীতে বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের তৃতীয় জাতীয় সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) মিলনায়তনে অায়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী। 

 

হাসানুল হক ইনু বলেন, উগ্রবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা গণতন্ত্র, গণমাধ্যম এবং সমাজের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। এ সমস্যা মোকবিলার জন্য আমাদের প্রস্তুত হতে হবে। যে কোনো আইন পরীক্ষা করা যায়, সংশোধন করা যায়।

 

সরকার বলে আসছে, সম্প্রতি সংসদে পাস হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি উগ্রবাদের বিস্তার ঠেকাতেও সহায়ক হবে।

 

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি আশ্বস্ত করতে পারি, গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে কাজে লাগানোর জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নয়।

 

তৌফিক ইমরোজ খালিদী বলেন, অন্যান্য পেশার মত সাংবাদিকতায় নারীর অংশগ্রহণ ক্রমশ বাড়লেও ব্যবধান এখনও অনেক বেশি।

 

তিনি বলেন, ১৯৮৭ সাল থেকে ৩০ বছরে বাংলাদেশে সংবাদকর্মীদের মধ্যে নারীদের হার ৪ শতাংশ থেকে বেড়ে মাত্র ১৩ শতাংশ হয়েছে।

 

এই হারকে আগামী তিন বছরে ৩০ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য ঠিক করার প্রস্তাব রেখে ইমরোজ খালিদী বলেন, তবে সংবাদ কক্ষে এবং প্রতিবেদক হিসেবে নারীদের সংখ্যা বাড়াতে হলে দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়ানের কোনো বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর ইন্টারনেটের কল্যাণে এখন আমরা খুব সহজেই নিজেদের শিক্ষিত বা প্রশিক্ষিত করে তুলতে পারি।

 

বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হকের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক পারভীন সুলতানা ঝুমা এবং কোষাধ্যক্ষ আখতার জাহান মালিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 

১১ বছর পর বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের এবারের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। সারা দেশ থেকে প্রতিনিধিরা এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।