ঢাকা, বুধবার ২৫, মার্চ ২০২৬ ১৭:৫৪:২৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
২৬৪ কর্মকর্তা পেলেন সিনিয়র সহকারী সচিবের পদোন্নতি গণহত্যা দিবসে ১ মিনিট প্রতীকী ব্ল্যাক-আউট হবে না নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিশেষ সভা চলে গেলেন `সুপারম্যান` সিনেমার অভিনেত্রী ভ্যালেরি পেরিন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী হাসপাতালে ভর্তি প্রতিটি শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: ডা. জুবাইদা ২৫ মার্চের গণহত্যা ছিল একটি সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন

ঝালকাঠিতে লঞ্চে অগ্নিকাণ্ড, হাসপাতালে ভর্তি দগ্ধ ৭০ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:৩৬ এএম, ২৪ ডিসেম্বর ২০২১ শুক্রবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী ‘এমভি অভিযান-১০’ নামক যাত্রীবাহী লঞ্চের ইঞ্জিন থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৩০ জন নিহত হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। শতাধিকের বেশি যাত্রী আহত হয়েছে।গণমাধ্যমকে জেলা প্রশাসক জহরুল আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত তিনটার দিকে লঞ্চটিতে আগুন লাগে বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন। ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের গাবখান চ্যানেলে এলে লঞ্চ থেকে কিছু যাত্রী নামতে পেরেছেন।

ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মইনুল হক জানিয়েছেন, ৭০ জনের বেশি দগ্ধ যাত্রীকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল ও বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সি‌নিয়র স্টাফ নার্স মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর ) ভোর ৫টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত দগ্ধ আট শিশুসহ ৬৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল থেকে প্রাথ‌মিক চি‌কিৎসা নি‌য়ে এসে‌ছেন।

যাত্রীরা জানিয়েছেন, অনেকেই লঞ্চ থেকে লাফিয়ে পড়ে প্রাণ বাঁচিয়েছেন। যাত্রীদের ধারণা হতাহতের সংখ্যা অনেক।

বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক কামাল হোসেন ভূঁইয়া  জানিয়েছেন, আগুন ভোর ৫টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

যাত্রীরা অনেকেই নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে সাঁতরে তীরে উঠতে পেরেছেন। অনেকে হয়তো পারেননি।

সাইদুর রহমান নামের এই যাত্রী বলেন, লঞ্চে শিশু, বুড়ো, নারীসহ কমপক্ষে তিন শতাধিক যাত্রী ছিল।

ইতালিফেরত এই যাত্রী বলেন, পোড়া গন্ধ পেয়ে আমি ভিআইপি কেবিন থেকে বেড়িয়ে এসে দেখি লঞ্চে আগুন লেগেছে। তখন আমার স্ত্রী, শ্যালক নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে প্রচণ্ড ঠান্ডায় নদী সাঁতরে তীরে উঠেছি। লঞ্চ ভাসতে ভাসতে কোথাও গিয়ে থেমেছে। তবে এটুকু বলছি, লঞ্চের কোনো অংশ পোড়ার বাকি নেই।