ঢাকা, রবিবার ২১, জুন ২০২৬ ৮:২৩:৪৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সৌদি আরব থেকে ফিরলেন ৬১ হাজার ৬৯৭ হাজি দ্রুততম গোলে তুরস্ককে হারিয়ে প্যারাগুয়ের জয় অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে নক আউট পর্বে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র সপ্তাহের শুরুতেই কমল স্বর্ণের দাম, ভরি কত? নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ-ইউএন উইমেনের সহযোগিতার অঙ্গীকার ৬৪ সেকেন্ডেই বাজিমাত! প্যারাগুয়ের বিদ্যুৎগতির গোলে হতবাক তুরস্ক ঢাকার বাতাসে কিছুটা স্বস্তি, দূষণের মাত্রা ‘মাঝারি’ ব্রাজিলের দাপুটে জয়, হাইতিকে উড়িয়ে নকআউটের পথে সেলেসাও কবি সুফিয়া কামালের জন্মদিন আজ স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথম জয় মরক্কোর

টেক্সাসে লরিতে পাওয়া গেলো ৪২ মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:৫৭ এএম, ২৮ জুন ২০২২ মঙ্গলবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রে একটি লরির ভেতরে পাওয়া গেছে ৪২ জনের মরদেহ। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের মঙ্গলবারের (২৮ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা যায়।

দেশটির টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সান আন্তোনিও শহরের উপকণ্ঠে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। মৃতদের সকলেই অভিবাসী বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, লরির চালক পলাতক অবস্থায় রয়েছেন এবং সান আন্তোনিও পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে খোঁজা হচ্ছে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মরদেহ উদ্ধার হওয়া ওই লরির ছবি ছড়িয়ে পড়ে খুব দ্রুতই।

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় কেএসএটি নামের টেলিভিশন চ্যানেল জানায়, সান আন্তোনিও শহরের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে একটি রেল ট্র্যাকের পাশে লরিটিকে খুঁজে পাওয়া যায়।

এদিকে স্থানীয় আরেকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে পাওয়া যায়, লরি থেকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা অন্তত ১৬ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদের সকলের শারীরিক অবস্থা আলাদা আলাদা।

সান আন্তোনিও শহরটি যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার (১৫০ মাইল) দূরে অবস্থিত। গ্রীষ্মকালে সেখানে সোমবার (২৭ জুন) ৩৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা উঠেছিল।

মেক্সিকোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্সেলো ইব্রার্ড জানিয়েছেন, দূতাবাস যাওয়ার পথেই লরিটিকে পাওয়া গেছে। তাৎক্ষনিকভাবে নিহতদের জাতীয়তা জানা যায়নি। মেক্সিকান দূত ওই স্থানে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট এ ঘটনার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকেই দায়ী করেছেন এবং এই ঘটনাকে বাইডেনের ‘উন্মুক্ত সীমান্ত নীতির ফলাফল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।