ঢাকা, শনিবার ০৪, জুলাই ২০২৬ ১০:১০:৩৩ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
কেপ ভার্দের কঠিন পরীক্ষায় পাস করে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা মেসিদের সামনে রূপকথার কেপ ভার্দে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানী নারী উন্নয়নে সরকার দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছে: পানিসম্পদমন্ত্রী ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৫৯৫ এফডিসিতে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে শিল্পী সমিতির নির্বাচন

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো জীবনে বড় পাওয়া’

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:০১ পিএম, ২০ জুন ২০২১ রবিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই নিজের জীবনে বড় পাওয়া বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, একটি ঘর পেয়ে দুঃখী মানুষের মুখে যে হাসি দেখতে পাই এর চেয়ে বড় পাওয়া আমার জীবনে আর কিছু নেই। মানুষের জন্য মানুষ এটাই সব থেকে বড় কথা।

রোববার (২০ জুন) মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে দ্বিতীয় দফায় ভূমিহীনদের বিনামূল্যে জমিসহ ঘর দেয়ার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সরকারপ্রধান। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের কাছে ঘর হস্তান্তরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ক্ষমতায় থেকে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষমতা থেকে নিজে খাব, নিজে ভালো থাকব, এটা নয়। ক্ষমতা আমাদের কাছে ভোগের বিষয় নয়। কীভাবে মানুষকে ভালো রাখা যায় এটা হলো বড়।

সরকারপ্রধান বলেন, আমরা লক্ষ্য স্থির করেছি, বাংলাদেশকে দারিদ্রমুক্ত করব। এর জন্য শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছি, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিয়েছি। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করেছি। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি গৃহহীন মানুষকে ঘরবাড়ি তৈরি করে দিচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, তৃতীয় লিঙ্গ, বেদে, গারোসহ সব সম্প্রদায়েরও জীবনমান উন্নয়নেও সরকার কাজ করছে।

সরকারপ্রধান বলেন, বস্তিবাসীর জন্য ঢাকায় ভাড়ায় থাকার জন্য ফ্ল্যাট করে দিচ্ছি। অর্থনৈতিক নীতিমালায় আমরা তৃণমূলকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। গ্রাম পর্যায়ের মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়া। তাদের খাদ্য, শিক্ষা ও বাসস্থান নিশ্চিত করা। তৃণমূল মানুষের জীবন জীবিকা নিশ্চিত করছি।

শেখ হাসিনা বলেন, যেখানে জমি পাব না। এই তহবিল থেকে জমি কিনে দেব। ঘরে করে দেব। এভাবে আমরা চাচ্ছি, বাংলাদেশের কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না। কোথাও কেউ গৃহহীন থাকলে আমাদের জানাবেন। আমরা তাদের ঘরবাড়ি করে দেব। আমি মনে করি, এতটুকু করলে আত্মা শান্তি পাবে।

সরকারপ্রধান আরও বলেন, আমি পুরো বাংলাদেশ ঘুরেছি। গ্রামে-গঞ্জে, মাঠে-ঘাটে। আওয়ামী লীগ অধিকার নিয়ে কাজ করে। জাতির পিতা মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দিয়েছেন। তার পদাঙ্ক অনুসরণ করেই এগিয়ে যাচ্ছি আমরা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ পর্যন্ত ৪ লাখ ৪২ হাজার ৬০৮ পরিবারকে গৃহ নির্মাণ করে দিয়েছি আমরা। এরমধ্যে জলবায়ু উদ্বাস্তু পুনর্বাসনে কক্সবাজারে খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প ও আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প। আমাদের সচিবরা তাদের নিজস্ব অর্থায়নে ১৬০টি পরিবারকে ঘর করে দিয়েছেন। আমাদের পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনী ও বিভিন্ন সংস্থা এ কাজে এগিয়ে এসেছেন।

আশ্রয়ণ প্রকল্প-২-এর আওতায় বরিশাল, ভোলা, বাগেরহাট, ঝিনাইদহ, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, নোয়াখালী, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কুড়িগ্রাম ও রাঙামাটিসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় হতদরিদ্র পরিবারের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে ঘরগুলো। প্রত্যেকটি ঘরে আছে ২টি কক্ষ, ১টি বারান্দা, ১টি বাথরুম ও রান্নাঘর। দুই শতাংশ জমির ওপর নির্মিত একেকটি ঘর পাবেন ভূমিহীনরা।

এর আগে প্রথম দফায় ৬৬ হাজার ১৮৯টি ভূমিহীন পরিবারকে বিনামূল্যে জমিসহ ঘর উপহার দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।


-জেডসি

এই বিভাগের জনপ্রিয়