ধস নেমেছে সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ১১:৪৬ এএম, ২২ নভেম্বর ২০১৯ শুক্রবার
নানা নামে, বেনামে, একই ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে বহুবার, সীমার অতিরিক্ত ও অবৈধ অর্থে সঞ্চয়পত্র বিক্রি ঠেকাতে অনলাইন ডেটাবেস চালু হয়েছে। সঞ্চয়পত্র কেনায় আরোপ করা হয়েছে বেশকিছু শর্ত। ফলে চলতি অর্থছরের শুরু থেকেই সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমছে। সেপ্টেম্বরে ধস নেমেছে বিক্রিতে, বিক্রি ৩৪২ শতাংশ কমেছে। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
অধিদপ্তরের হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্যমতে, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে নিট আয় হয়েছে ৯৮৫ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই মাসে এ আয় ছিল ৪ হাজার ৩৫৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ সঞ্চয়পত্র বিক্রি প্রায় সাড়ে ৪ ভাগে নেমে এসেছে।
প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ক্রমান্বয়ে প্রতি মাসেই কমছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি। জুলাই মাসে সঞ্চয়পত্র নিট বিক্রি হয় ২ হাজার ১৬০ কোটি এবং আগস্টে ১ হাজার ৪৯৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। সবমিলিয়ে প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সঞ্চয়পত্র বিক্রির নিট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ১৩ হাজার ৪১২ কোটি টাকা। এ হিসাবে গত বছরের তুলনায় বিক্রি কমেছে ১৮৫ শতাংশ।
সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমে যাওয়ার পেছনে উৎসে করারোপসহ বিভিন্ন কড়াকড়িকেই প্রধান কারণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। চলতি অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রের সুদের হার না কমিয়ে সরকার উল্টো উৎসে কর বাড়িয়ে দ্বিগুণ করে দেয়। অর্থাৎ ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্রের সুদের ওপর উৎসে কর ৫ শতাংশের পরিবর্তে ১০ শতাংশ করা হয়। এক লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন বাধ্যতামূলক। সঞ্চয়পত্রের সব লেনদেন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে করতে হচ্ছে ক্রেতাদের। সঞ্চয়পত্র কিনলেই অনলাইন ডেটাবেস নিবন্ধিত হয়ে যাচ্ছে। এতে একই ব্যক্তি একাধিকবার সঞ্চয়পত্র কেনার সুযোগ পাচ্ছেন না। অনলাইন ডেটাবেস চালুর আগে সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে কোনো শৃঙ্খলা ছিল না। ফলে অবৈধ অর্থের নিরাপদ এবং লাভজনক খাত ছিল সঞ্চয়পত্রের স্কিমগুলো।
একদিকে সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমেছে অন্যদিকে রাজস্ব আদায় হচ্ছে না লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে। ফলে বাজেটের ঘাটতি পূরণে ব্যাংকমুখী হয়ে পড়ছে সরকার। এতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ কমে যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরের সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৫ শতাংশ। কিন্তু জুলাই-সেপ্টেম্বরে অর্জিত হয়েছে মাত্র ২ দশমিক ৬২ শতাংশ। ফলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ঘাটতি বিপুল পরিমাণ। ঘাটতি পূরণে এ তিন মাসে সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে ২৭ হাজার ৫০৮ কোটি টাকা। ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণগ্রহণ বেড়েছে ৪৫ শতাংশ। অন্যদিকে দেশের বেসরকারি খাতে ঋণ বেড়েছে মাত্র ১০ দশমিক ৬৬ শতাংশ। এতে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
- একাত্তরে গণহত্যাকে স্বীকৃতির দাবিতে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব
- সড়ক দুর্ঘটনা: ১৮ ঘণ্টায় ঝরে গেল ২৩ প্রাণ
- ট্রাম্পের আলটিমেটামে কড়া প্রতিক্রিয়া ইরানের
- আজ সকালে লন্ডন গেলেন ডা. জোবাইদা রহমান
- এই ঈদে দর্শক চাহিদায় বাড়ল ‘দম’-এর শো
- ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ফাঁকা রাজধানী
- এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণের তারিখ ঘোষণা
- কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাসে ট্রেনের ধাক্কা, নিহত ১২
- বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৩ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস
- পৃথিবীর মতো গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেছে
- ১০ দিনে নেপাল-তিব্বত: পাহাড় ও বিস্ময়ের এক ভ্রমণকাহিনি
- রোগী দেখতে ঢামেক হাসপাতালে এসে শিশু নিঁখোজ
- দেশের যেসব অঞ্চলে চার দিন ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা
- দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন
- নারী ফুটবলের বিকাশে নতুন সিদ্ধান্ত ফিফার
- চাঁদরাতে কেনাকাটা: ভিড়ে মুখর নগর জীবন
- রাজধানীর কোথায় কখন ঈদের জামাত জেনে নিন
- রাজধানীতে আজ বন্ধ থাকছে মেট্রোরেল
- অনেক নারী এখনও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত: এড. দিলশাদ
- কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনা: ২ গেটম্যান বরখাস্ত, তদন্তে ৩ কমিটি
- আজ ঈদুল ফিতর, দেশজুড়ে আনন্দ-উৎসব
- আজ ঢাকার আকাশ মেঘলা, মাঝে মাঝে বৃষ্টির আশঙ্কা
- ঈদে তারকাদের ব্যস্ততা-আনন্দ, কেমন কাটছে উৎসব
- বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৩ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস
- ঈদের দিন রাজধানীর কোথায় কোথায় বেড়াতে যেতে পারেন
- ঈদের দিন ফাঁকা রাজধানী, নিস্তব্ধতায় ভিন্ন এক ঢাকা
- জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে নামাজ আদায় করলেন প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী
- ঈদ সালামি: শিশুদের আনন্দের ঝুলি, ঐতিহ্যের মধুর বন্ধন
- ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ফাঁকা রাজধানী
- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে ‘যমুনা’য় জনতার ঢল





