ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৯, জানুয়ারি ২০২৬ ৫:১৭:১৮ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সারা দেশে অবাধে শিকার ও বিক্রি হচ্ছে শীতের পাখি ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে এখন পর্যন্ত ১৩ লাখ নিবন্ধন নারী, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিষয়ে ১০ দফা সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টার কাছে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ ইরানের পরিস্থিতি খারাপ হলে কঠোর হবে তুরস্ক

নারীবাদীদের ‘দুশ্চরিত্রা’ বলে গালি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের স্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:১৫ এএম, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর স্ত্রী ব্রিজিত ম্যাক্রোঁ নারীবাদীদের ‘নোংরা দুশ্চরিত্রা’ বলে গালি দিয়েছেন। অপর একজনের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এমন মন্তব্য করেন। যা কোনোভাবে রেকর্ড হয়ে যায়। এরপর এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

প্যারিসে ধর্ষণে অভিযুক্ত অভিনেতা ও কমেডিয়ান আরি আবিত্তানের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন ফার্স্ট লেডি। আরি আবিত্তানের ওই অনুষ্ঠানের বিরোধীতা জানিয়ে নারীবাদীরা বিক্ষোভ করে আসছেন।

গার্ডিয়ান জানিয়েছে, গত রোববার আবিত্তান ওই অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার আগের দিন রাতে নারীবাদীরা এতে বাগড়া দেন। তারা তাকে ধর্ষক বলে স্লোগান দেন।

পরেরদিন রোববার এই অভিযুক্ত ধর্ষকের সঙ্গে অনুষ্ঠানের পেছনের মঞ্চে ব্রিজিত ম্যাক্রোঁকে কথা বলতে দেখা যায়। ওই সময় ব্রিজিত ম্যাক্রোঁ আবিত্তানকে কেমন আছেন জিজ্ঞেস করেন। ওই সময় অভিযুক্ত ধর্ষক বলেন, তিনি ভীত। কারণ এর আগেরদিন নারীবাদীরা এখানে বাগড়া দিয়েছিল।

তখন ব্রিজিত ওই নারীবাদীদের ‘নোংরা দুশ্চরিত্রা’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, তারা যদি আবারও আসে তাহলে তাদের ধাক্কা মেরে সরিয়ে দেওয়া হবে।

পরবর্তীতে ব্রিজিতের দপ্তর থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয় তিনি ওই অভিনেতাকে শান্ত করার চেষ্টা করছিলেন। কারণ এরআগের দিন তার অনুষ্ঠানে নারীবাদীরা আসায় তিনি ভীত ছিলেন।

‘আমরা সবাই’ নামে একটি নারীবাদী সংগঠন আবিত্তানের অনুষ্ঠান পণ্ড দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তারা বলেছে, ফ্রান্সে ধর্ষকদের বিচার করা হয় না। তারা এর প্রতিবাদে ওই অভিযুক্ত ধর্ষকের অনুষ্ঠানে ঝামেলা সৃষ্টি করেছেন।

আবিত্তানের বিরুদ্ধে আনা ধর্ষণের মামলা ২০২৪ সালে বাতিল করে দেন বিচারকরা। কারণ তার বিরুদ্ধে শক্তিশালী কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে চলতি বছরের জানুয়ারিতে আপিল করা হয়।