ঢাকা, সোমবার ১৫, জুন ২০২৬ ১:২৭:১৭ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
আজ রাতে জার্মানির মুখোমুখি হচ্ছে ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র কুরাসাও নারীদের জন্য ১৫০০ বেডের দুটি হাসপাতাল হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু কনোলির বিধ্বংসী ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার নাটকীয় জয় এইচএসসি পরীক্ষায়ও থাকছে সিসিটিভির নজরদারি মিরপুর স্টেডিয়ামে খেলা উপভোগ করছেন জাইমা রহমান বাজেটে সরকার সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে শিক্ষাকে: শিক্ষামন্ত্রী

পরীক্ষা বর্জন, বিক্ষোভ করবে ভিকারুননিসার শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:২২ পিএম, ৪ ডিসেম্বর ২০১৮ মঙ্গলবার

ভিকারুননিসা নূন স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর (১৫) আত্মহত্যার ঘটনায় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দিনভর বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। 


আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে চলা এ বিক্ষোভের সময় অনেক অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজন এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

 

গতকাল সোমবার শিক্ষকের অপমান সইতে না পেরে আত্মহত্যা করে অরিত্রী অধিকারী। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর সহপাঠী ছাড়াও অন্যান্য শিক্ষার্থীরা স্কুলে এসে কান্নায় ভেঙে পড়ে। তাদের সান্ত্বনা দিতে পারছিলেন না অভিভাবকরা।

 

আগামীকাল বুধবার আবারও অবস্থান নেবে বলে জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। তারা জানায়, শিক্ষামন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সুষ্ঠু বিচার না হলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। সব পরীক্ষা বর্জন করা হবে। 


এছাড়া বুধবার সকাল ১০টায় ফের স্কুলের প্রধান ফটকে অবস্থান নেবে তারা। স্কুলে বর্তমানে বার্ষিক পরীক্ষা চলছে।

 

আত্মহত্যার ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রণালয়, ঢাকা বোর্ড ও স্কুল কর্তৃপক্ষ পৃথক পৃথক কমিটি গঠন করেছে। কমিটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঘটনার কারণে অনুসন্ধান এবং এ জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করবে। আজ শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ স্কুলে গিয়ে শিক্ষক, অভিভাবক ও ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন।

 

গতকাল রাজধানীর শান্তিনগরে ৭ তলা ভবনের সপ্তম তলার একটি ফ্ল্যাটে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় ভিকারুননিসা নূন স্কুলের ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীকে। তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। 

 

অরিত্রীর মা-বাবা জানান, তাদের মেয়ের স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা চলছিল। রোববার চলছিল সমাজবিজ্ঞান পরীক্ষা। পরীক্ষার সময় তার কাছে একটি মোবাইল পাওয়া যায়। এজন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ অরিত্রীর মা-বাবাকে ডেকে পাঠায়। স্কুলে গেলে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, অরিত্রী মোবাইলে নকল করছিল, তাই তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।