ঢাকা, বুধবার ১১, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৮:৫৫:০৮ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
এবার সিলেটে ভূমিকম্প অনুভূত. মাত্রা ৪ ৫০তম বিসিএসের ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ১২৩৮৫ রয়টার্স: ক্ষমতার দোরগোড়ায় তারেক রহমান বোরকা ব্যবহার করে জাল ভোটের শঙ্কা, দায় নিতে হবে ইসিকে: বিএনপি বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য হটলাইন চালু

পাপিয়াকে গ্রেপ্তার করতে গেল পুলিশ, এরপর যা ঘটল

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:৩২ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ মঙ্গলবার

বিএনপি নেত্রী আসিফা আশরাফি পাপিয়া (পুরোনো ছবি)

বিএনপি নেত্রী আসিফা আশরাফি পাপিয়া (পুরোনো ছবি)

বিএনপি নেত্রী আসিফা আশরাফি পাপিয়াকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি নির্বাচনী পথসভা থেকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে ফিরে এসেছে পুলিশ। সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে আমনুরা স্কুলমাঠসহ উপজেলার কয়েকটি স্থানে গতকাল সোমবার বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী তসিকুল ইসলাম তসির প্রচারণায় পথসভা ছিল। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আসিফা আশরাফি পাপিয়া।

সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম তাকে গ্রেপ্তার করতে আমনুরায় যায়। এ সময় উপস্থিত বিএনপি নেতাকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পড়লে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে তাকে গ্রেপ্তার না করে পুলিশে ফিরে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান বলেন, ‘একটি মামলায় সাজাসহ আরও তিনটি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। এর মধ্যে দুটি ঢাকার পল্টন থানা ও একটি দারুস সালাম থানায়। মামলাগুলোতে তিনি জামিনে থাকায় মহিলা পুলিশ ফোর্সসহ তাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে ফেরত আসি।’

তিনি বলেন, ‘একটি চাঁদাবাজির মামলায় তার ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। কিন্তু তার কাছে উচ্চ আদালতের জামিন আদেশ থাকায় আমরা ফেরত আসি। আমাদের কাছে তার জামিনের কোনো কাগজপত্র ছিল না।’

এ বিষয়ে বিএনপি নেত্রী আসিফা আশরাফি পাপিয়া বলেন, ‘তিনটি রাজনৈতিক মামলায় উচ্চ আদালতের জামিন ও স্টে থাকার পরও সদর থানার ওসি ফোর্স নিয়ে আমাকে গ্রেপ্তার করতে আসেন। এ সময় আমার গাড়ি আটকে রাখেন। তারা ঢাকা জজকোর্ট ও হাইকোর্টের ওর্ডার মানতে চাননি।’

পাপিয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই নির্বাচনী পথসভায় গিয়ে পুলিশ হয়রানি করেছে। ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার জন্য পুলিশ পরিকল্পিতভাবে এই কাজ করেছে।’ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না দেওয়ার জন্য ২০০৭ সালে বারঘরিয়ার হারুন চেয়ারম্যান তার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন বলে জানান তিনি।