ঢাকা, রবিবার ২৯, মার্চ ২০২৬ ২১:৩১:৩১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
টিউলিপকে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ ১১ জেলার ডিসি প্রত্যাহার, নতুন ডিসি নিয়োগ কর কর্মকর্তা তানজিনা সাময়িক বরখাস্ত পর্যটন খাত উন্নয়নে বাংলাদেশ-নেপাল যৌথভাবে কাজ করবে বিশ্ববাজারের প্রভাব, দোলাচলে সোনার দাম ইরানে একদিনে সর্বোচ্চ হামলার রেকর্ড

পিরিয়ডের সময় সতর্কতা

স্বাস্থ্য ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০২:১৭ পিএম, ১২ নভেম্বর ২০১৭ রবিবার

পিরিয়ড বা মাসিক নারীর জন্য একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। বয়:সন্ধিকাল থেকে শুরু করে যৌবন ফুরিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসেই এটা চলতে থাকে। একে রজচক্রও বলা হয়ে থাকে। মাসের একটা নির্দিস্ট সময়ে মেয়েদের ডিম্বাশয় থেকে নি:সৃত রক্তকেই পিরিয়ড বা মাসিক বা রজচক্র বলা হয়।

সাধারণত দশ বা এগারো বছর বয়সে নারী পিরিয়ড প্রাপ্ত হয়। এর মাধ্যমে নারী তার শরীরের পূর্ণতা পায়। অর্থাৎ সে মা হওয়ার জন্য উপযুক্ত। তার শরীরের যৌনাঙ্গ পরিপূর্ণ এবং শরীর থেকে নিয়মিত ডিম্বানু তৈরি হবে।


পিরিয়ড সময় পাঁচ থেকে সাত দিন হয়ে থাকে। কখনো কখনো এটা বেশিও হয়। কেউ কেউ এই সময়ে পেটে প্রচন্ড ব্যথায় আক্রান্ত হন। বিশেষ করে যাদের বয়স বিশ বছরের কম এবং বিয়ে হয়নি তারাই বেশি আক্রান্ত হন। তবে সহজাত হিসেবে সব নারীই এই সময়ে একটু অসুস্থ্যতা ভোগ করেন। কারও কারও মাথা ব্যথা, শরীরে ক্লান্তি, দুর্বলতা দেখা দিয়ে থাকে।


এসব থেকে বাঁচা তো যাবে না, তবে কিছু চেষ্টা করলে এই সমস্যাগুলো কম হবে। তবে চলুন সেই টিপসগুলোই জেনে নেয়া যাক।


বিশেষজ্ঞদের মতো করে-বিশ্রাম নেয়া : যদিও চাকরিজীবী নারীদের জন্য এটা সম্ভব হয় না সবসময়। তবে যদি সুযোগ থাকে তাহলে পিরিয়ডের প্রথম দিন অফিসে না যাওয়াই ভালো। আর যারা পড়াশোনা করছেন তাদের জরুরি ক্লাস বা পরীক্ষা না থাকলে সেদিন বাসায় রেস্ট নিন। এতে আপনার শরীর সুস্থ্য থাকবে। বিশ্রাম থাকা মানে পূর্ন বিশ্রামে থাকুন। কথাবার্তা কম বলুন। দৈনন্দিন কাজ থেকেও বিশ্রাম নিন।


খাবার দাবার সচেতনতা : অবশ্যই চেষ্টা করুন ভালো খাবার খেতে। দুধ, ডিম এই জাতীয় খাবার খান। এছাড়াও ফ্রেশ ফুড অবশ্যই খাবেন। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। আর নিয়মিত খাবার-দাবার তো অবশ্যই খাবেন। যদিও এই সময়টায় খাবারের প্রতি কিছুটা অরুচি থাকে, তবুও খেতে হবে।


পরিশ্রমের কাজ থেকে বিরত থাকুন : বিশেষ করে পিরিয়ডের প্রথম দিন বেশি পরিশ্রমের কাজ করবেন না। চেষ্টা করুন যতোদূর সম্ভব পরিশ্রমের কাজগুলো থেকে নিজেকে দূরে রাখতে। যেমন, রান্নার হাড়িপাতিল টানাটানি, কাপড় ধোয়া, ঘর মোছা জাতীয় কাজগুলো করবেন না।


পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন : অবশ্যই নিরাপদ প্যাড ব্যবহার করুন। কখনোই পুরনো কাপড় ব্যবহার করবেন না ন্যাপকিন হিসেবে। এটা খুবই অস্বাস্থ্যকর কাজ। প্রথম দিন ঘন ঘন প্যাড পরিবর্তন করুন। যতোদূর সম্ভব পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন। সাবধান থাকুন। এই সময়ে যোনিদ্বারের পাশে প্রচুর জীবনুর আনাগোনা থাকে। সহজেই জীবানুরা ছড়াতে পারে। সুতরাং সতর্ক থাকুন। জীবানুনাশক অ্যান্টিসেপটিক ব্যবহার করবেন প্রতিবার পরিস্কার হওয়ার সময়।


নিরাপদ যৌনমিলন : সাধারণত এই সময়ে নারীরা যৌনমিলনে আগ্রহী থাকেন না। তবে রুচির তারতম্য ভেদে সেটা আলাদা ব্যাপার। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে এই সময়ে যৌনমিলন না করাই ভালো। যদি একান্ত করতেই হয় তাহলে অবশ্যই নিরাপদ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।


শেষ কথা : বিশেষজ্ঞদের মতে, পিরিয়ডের সময় যোনি অনেক সংবেদনশীল থাকে। ফলে এই সময়ে যৌনমিলন করলে ডিম্বাশয়ের স্থানচ্যুত হতে পারে। ফলে পরবর্তীতে বাচ্চা জন্মদানের জন্য যৌনমিলনের সময় সঠিক স্থানে সেটা হয় না। তখন সেই ভ্রুণ ডিসকারেজ হয়। এরকম সমস্যা অনেকেরই হয়ে থাকে সঠিক বিষয়ে না জানার কারণে। কিংবা যখন জানে তখন আর কিছু করার থাকে না।