ঢাকা, সোমবার ২৩, মার্চ ২০২৬ ৪:৩২:০৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
একাত্তরে গণহত্যাকে স্বীকৃতির দাবিতে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাসে ট্রেনের ধাক্কা, নিহত ১২ দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন নারী ফুটবলের বিকাশে নতুন সিদ্ধান্ত ফিফার কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনা: ২ গেটম্যান বরখাস্ত, তদন্তে ৩ কমিটি অনেক নারী এখনও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত: এড. দিলশাদ

পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

ডেস্ক রিপোর্ট | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:০৬ পিএম, ৬ অক্টোবর ২০১৯ রবিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

গত ৩০ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করেই ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এরপর দেশের বাজারে লাগামহীনভাবে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় পৌঁছে যায়। এতে বিপাকে পড়ে স্বল্প আয়ের মানুষ। তবে বাংলাদেশে পিয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ভারত প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

শনিবার বাংলাদেশের বাণিজ্য সচিব ড. জাফর উদ্দীন দিল্লিতে সাংবাদিকদের জানান, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করায় এবার ভারতের পিয়াজ বাংলাদেশে যাওয়া শুরু হয়েছে। প্রায় ৪০০টি ট্রাকে করে ১০ হাজার টনের বেশি পিয়াজ বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এসব পিয়াজ আমদানির জন্য বাংলাদেশে আগে থেকেই এলসি খোলা হয়েছিল। সেই পিয়াজই ট্রাকগুলো এখন নিয়ে যাচ্ছে।

তবে এর আগে সরকারের নানা উদ্যোগে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। পেঁয়াজ এসেছ মিশর ও তুরস্ক থেকেও। রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে এখন প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৮৫ থেকে ৯৫ টাকা ও আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ধারনা করা যাচ্ছে ভারত থেকে ঠিকমত পেঁয়াজ আমদানি করা গেলে খুব শিগগির পেঁয়াজের দাম আরো কমবে।

এরআগে ভারতের বাজারে পিয়াজের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় ভারত সরকার আচমকা গত ২৯ সেপ্টেম্বর পিয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এতে সমস্যায় পড়ে বাংলাদেশ। এ নিয়ে ভারতে সফররত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যেই এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তারপর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রভীশ কুমার জানান, বাংলাদেশের এ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।

ভারতের মহারাষ্ট্র প্রদেশের নাসিক থেকেই মূলত পিয়াজ রপ্তানি হয়। সেখানকার ব্যবসায়ীরা এ সিদ্ধান্তে আর্থিক বিপদে পড়েন। সমস্যার প্রতিকারে মহারাষ্ট্রের বিরোধীদলীয় প্রবীণ রাজনীতিক শারদ পাওয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে কথা বলেন। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাড়নবীশও কেন্দ্রকে জানান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার জন্য। মহারাষ্ট্রে ইতিমধ্যেই বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণা হয়েছে। এ সময় পিয়াজ ব্যবসায়ীরা বিপদে পড়লে তার রাজনৈতিক প্রভাব বিজেপির বিরুদ্ধে যেতে পারে। পিয়াজ সবসময়ই ভারতের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলেছে।

-জেডসি