ঢাকা, বুধবার ১১, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৫:৫৫:১৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
এবার সিলেটে ভূমিকম্প অনুভূত. মাত্রা ৪ ৫০তম বিসিএসের ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ১২৩৮৫ রয়টার্স: ক্ষমতার দোরগোড়ায় তারেক রহমান বোরকা ব্যবহার করে জাল ভোটের শঙ্কা, দায় নিতে হবে ইসিকে: বিএনপি বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য হটলাইন চালু

প্রধানমন্ত্রীর কারণেই এত দ্রুত রায়: নুসরাতের পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:৫১ পিএম, ২৪ অক্টোবর ২০১৯ বৃহস্পতিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। রায়ে ১৬ আসামি সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। হত্যাকাণ্ডের ছয় মাস ১৭ দিনের মাথায় আদালতের ৬১ কর্মদিবসে রায়টি ঘোষণা করা হল। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মামুনুর রশিদের আদালতে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

আদালতের রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছে নুসরাতের পরিবার ও তার আইনজীবীরা। তারা বলছেন, এত দ্রুত সময়ে কোনো রায় নিষ্পত্তি হওয়ার নজির বাংলাদেশে নেই।

মামলার বাদী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চেয়েছেন বলেই এত দ্রুত সময়ের মধ্যে রায় দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এই রায়ে আবার প্রমাণ হল- অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানাবো রায় যেমনিভাবে দ্রুত সময়ে হচ্ছে, তেমনিভাবে কার্যকরটাও যেন দ্রুত হয়।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের পরিবারের পাশে ছিলেন বলেই আমরা এখনো টিকে আছি। তিনি নিজে আমাদের পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন। আমার বোন হত্যার বিচারের দায়িত্ব তিনি নিজে নিয়েছেন। তার আন্তরিকতার কারণেই সর্বস্তরের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা আন্তরিকভাবে কাজ করেছে। আমাদের পুরো পরিবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবো।

গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় তাঁর মা শিরিনা আক্তার বাদী হয়ে সোনাগাজী থানায় মামলা করলে অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার প্রশাসনিক ভবনের ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় বোরকা পরা পাঁচ দুর্বৃত্ত। ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ নুসরাতের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। গত ২৮ মে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত শেষে মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে ৮৬৯ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র দাখিল করে। মাত্র ৬১ কার্যদিবসে মামলার কার্যক্রম শেষ হয়। আর মামলার তদন্ত কার্যক্রম শেষ করতে পিবিআইয়ের লাগে ৩৩ কার্যদিবস।

হত্যাকাণ্ডের মাত্র সাত মাসের মধ্যেই হতে যাওয়া এই রায়কে ঘিরে সতর্ক অবস্থায় নেয় ফেনী পুলিশ। এজন্য আদালত চত্বর এলাকায় নেওয়া হয় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রায়ে সব আসামির সর্বোচ্চ সাজা হওয়ায় খুশি নুসরাতের পরিবার ও  রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।

-জেডসি