ঢাকা, রবিবার ২২, মার্চ ২০২৬ ০:৩৬:৫০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীতে আজ বন্ধ থাকছে মেট্রোরেল ঈদের দিন ফাঁকা রাজধানী, নিস্তব্ধতায় ভিন্ন এক ঢাকা জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে নামাজ আদায় করলেন প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে ‘যমুনা’য় জনতার ঢল চাঁদরাতে কেনাকাটা: ভিড়ে মুখর নগর জীবন নারীদের জন্য রাজধানীর কোথায় কখন ঈদ জামাত আজ ঈদুল ফিতর, দেশজুড়ে আনন্দ-উৎসব

ফরিদপুরে টাকা ফেরত না পাওয়ায় গৃহবধূর আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:০৩ পিএম, ১ মে ২০২৩ সোমবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা স্বামীর কাছ থেকে না পেয়ে বিউটি আক্তার নামের (৪০) এক প্রবাসী গৃহবধূ আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রোববার (৩০ এপ্রিল) রাতে উপজেলার কাউলিবেড়া ইউনিয়নের মোটরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত বিউটি আক্তার মোটরা গ্রামের মোসলেম মাতুব্বরের মেয়ে। বিউটি বাড়ির পাশে সানরাইজ কিন্ডারগার্টেন স্কুলের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ নিহতের ছেলে জাহিদ শেখের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত বিউটি আক্তারের প্রথমে সূর্যনগর এলাকার শাহজাহান নামের এক লোকের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল। সেই সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ছয় বছর আগে স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্স হয়। সন্তান তিনজন বিউটির কাছেই থাকে। বিউটি সন্তানদের ভরণপোষণের জন্য সৌদি আরবে যায় ঝিয়ের কাজ করতে। সৌদি আরব থেকে দেশে এসে দুই বছর আগে সে পার্শ্ববর্তী সালথা উপজেলার লুৎফর নামের এক লোকের সঙ্গে তার বিবাহ হয়। বিবাহের কিছু দিন পরে বিউটি আবার বিদেশ চলে যায়।

বিদেশ গিয়ে এবার সমস্ত টাকা দ্বিতীয় স্বামী লুৎফরের কাছে পাঠাত। ছয় মাস আগে বিউটি দেশে এসে স্বামীর নিকট টাকা চায়। স্বামী লুৎফর টাকা দিতে টালবাহানা শুরু করে। টাকা চাইলেই সে মারধর শুরু করে। বিউটির কপালে নেমে আসে অমানুষিক নির্যাতন। এভাবে বিউটি মার খেয়ে রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে।

নিহতের ছেলে জাহিদ শেখ জানান, আমার মা তার স্বামী লুৎফরের নিকট টাকা চাইলেই মারধর করত। শুধু মারধরই করত না তাকে টাকা চাইলে মেরে ফেলার হুমকি দিত। সপ্তাহ খানেক আগেও তাকে মারধর করলে আমি ফরিদপুরে একটি হাসপাতালে ভর্তি করে সুস্থ করে বাড়ি এনেছি। তার মুখে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমার মা লুৎফরের অত্যাচারে তার বাসা থেকে আমার নানা বাড়ি চলে এসেছে। লুৎফর ভাঙ্গায় তুলি হাসপাতালের নিচে একটা রুমে আমার মাকে নিয়ে বসবাস করত। একমাত্র লুৎফরের অত্যাচারে আমার মা এই পথ বেছে নেয়। আমি লুৎফরের বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়ারুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর পাঠানো হয়েছে। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।