ঢাকা, সোমবার ২৯, জুন ২০২৬ ৫:১৭:১৭ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীতে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার রাজধানীতে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু বিশ্বকাপ ফুটবলের শেষ ৩২-এর সূচি সমৃদ্ধ দেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দেশের ১২ অঞ্চলে বজ্রসহ ঝড়-বৃষ্টির আভাস, সতর্কবার্তা জারি তীব্র তাপপ্রবাহে কাঁপছে ইউরোপ, ঝুঁকিতে ১৫ কোটি মানুষ

বরেণ্য সাহিত্যিক, মুক্তিযোদ্ধা শহীদজায়া মুশতারী শফী আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৭:১৩ পিএম, ২০ ডিসেম্বর ২০২১ সোমবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বেগম রোকেয়া পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য সাহিত্যিক, মুক্তিযোদ্ধা শহীদজায়া মুশতারী শফী আর নেই। সোমবার বিকাল ৪টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)।
 
উদীচী চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক শীলা দাশগুপ্তা জানান, শহীদজায়া মুশতারী শফী লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।  সোমবার বিকাল ৪টার দিকে তার লাইফ সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়।  

মুশতারী শফী একাধারে নারীনেত্রী এবং উদীচী চট্টগ্রামের সভাপতি ছিলেন। তার মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনে।  

বেগম মুশতারী শফী ১৯৩৮ সালের ১৫ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।  মুশতারী শফী মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে এদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে সম্মুখ সারিতে ছিলেন। ’৬০ এর দশকে তিনি চট্টগ্রামে ‘বান্ধবী সংঘ’ নামের একটি নারী সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। 

তার সম্পাদনায় বান্ধবী নামের একটি পত্রিকাও ছিল। মুক্তিযুদ্ধের সূচনায় তার চট্টগ্রামের বাসভবনেই হয়েছিল স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা। বেতার কেন্দ্রের সংগঠক বেলাল মোহাম্মদ, আবুল কাশেম সন্দ্বীপসহ প্রগতিশীল নেতা এবং শিল্প সংস্কৃতির ব্যক্তিত্বগণের কর্মকাণ্ড ছিল এই বাসাকে ঘিরে। মুক্তিযুদ্ধে তিনি হারান তার স্বামী ডা. শফীকে। কিন্তু দমে যাননি এই মহিয়সী নারী।

মুশতারী শফী একজন সাহিত্যিক। তার রচিত গ্রন্থের মধ্যে ‘স্বাধীনতা আমার রক্তঝরা দিন’, ‘মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রামের নারী’ এবং ‘চিঠি, জাহানারা ইমামকে’ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া তিনি লিখেছেন অনেক প্রবন্ধ, ভ্রমণ কাহিনী, কিশোর গল্প গ্রন্থ এবং স্মৃতিচারণমূলক লেখা। 

স্বাধীনতাযুদ্ধে অনন্য ভূমিকার জন্য ২০১৬ সালে লাভ করেন বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ। ২০২০ সালে অর্জন করেন ‘রোকেয়া পদক।’ একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির তিনি ছিলেন একজন প্রথম সারির সংগঠক ও নেত্রী। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবিতে গঠিত গণজাগরণ মঞ্চেও তিনি সক্রিয় ছিলেন।