ঢাকা, শনিবার ২৭, জুন ২০২৬ ২০:১৫:৫১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ছেলেবন্ধুকে হত্যা, দুবাইয়ে মৃত্যুদণ্ডের মুখে ব্রিটিশ টিকটকার হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হলিউডের কিংবদন্তি অভিনেত্রী অ্যান ব্লিথ মারা গেছেন দেম্বেলের হ্যাটট্রিকে ফ্রান্স গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ইতিহাস গড়ে প্রথমবার নকআউটে কেপ ভার্দে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৫৪৮২ ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি ইতালিতে নারী ও শিশুসহ তিন বাংলাদেশি খুন, গুরুতর আহত একজন

বিরামহীন সংক্রমণে ভারতে ফের সর্বোচ্চ দৈনিক আক্রান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:১৮ পিএম, ৭ মে ২০২১ শুক্রবার

বিরামহীন সংক্রমণে ভারতে ফের সর্বোচ্চ দৈনিক আক্রান্ত

বিরামহীন সংক্রমণে ভারতে ফের সর্বোচ্চ দৈনিক আক্রান্ত

ভারতে দৈনিক করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা আজ শুক্রবারও ৪ লক্ষ ছাড়াল। এই নিয়ে তৃতীয় বার দেশটিতে দৈনিক আক্রান্ত ৪ লক্ষের গণ্ডি পার করল। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৪ লক্ষ ১৪ হাজার ১৮৮ জন সংক্রমিত হয়েছেন। যা একদিনে আক্রান্তের নিরিখে সবচেয়ে বেশি। গোটা মহামারি পর্বে ওদেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ২ কোটি ১৪ লক্ষ ৯১ হাজার ৫৯৮ জন।

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ ভারতে দৈনিক মৃত্যুকেও পৌঁছে দিয়েছে ৪ হাজারের দোরগোড়ায়। বৃহস্পতিবার দেশটিতে মৃত্যু হয়েছিল ৩ হাজার ৯৮০ জনের। শুক্রবার তা ৩ হাজার ৯১৫। করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট প্রাণ হারিয়েছে ২ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮৩ জনের। মোট মৃত্যুর সংখ্যায় মেক্সিকোকে পিছনে ফেলে এই মুহূর্তে বিশ্বের তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত।

করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে বিশ্বে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা এখন ভারতের। রোজ যে সংখ্যক মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন এবং যে সংখ্যক রোগীর মৃত্যু হচ্ছে ভারতে, তা গোটা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ। এমনকি এই সংখ্যায় আক্রান্ত এবং মৃত্যু কোভিডের কারণে বিশ্বের কোনও দেশেই হয়নি। বিপুল আক্রান্তের জেরে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা রোজ বাড়ছে দেশটিতে। যা স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়েছে। ভারতে এখন সক্রিয় রোগী রয়েছে ৩৬ লক্ষ ৪৫ হাজার ১৬৪ জন।

এই পরিস্থিতিতেই দেশটিতে চলছে করোনার টিকাকরণ। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ৭১৯ জন টিকা পেয়েছে ভারতে। এ নিয়ে মোট ১৬ কোটি ৪৯ লক্ষের বেশি টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে ভারতে। তবে টিকাকরণের গতি যে যথেষ্টই কম তা মেনে নিয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।