ঢাকা, শুক্রবার ২৬, জুন ২০২৬ ১২:৩০:৫২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৬১৭৪ বাংলাদেশি, মৃত্যু ৫৫ নকআউটে প্রতিপক্ষ হিসেবে কোন দলকে পেল ব্রাজিল, খেলা কবে? শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যুদিবস আজ আজ পবিত্র আশুরা, মহররম মাসের ১০ তারিখ জার্মানির বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ে নকআউটে ইকুয়েডর স্বস্তি নেই, বেশিরভাগ নিত্যপণ্যের দাম অপরিবর্তিত শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫, আহত ৪৩০০ শুক্রবার যেসব এলাকায় ৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:০৭ পিএম, ১ আগস্ট ২০২২ সোমবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আজ (১ আগস্ট) থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ। মায়ের দুধের প্রয়োজনীয়তা ও শিশুর স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রতি বছর ১ থেকে ৭ আগস্ট বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালন করা হয়ে থাকে।

সারাবিশ্বে ১৯৯২ সাল থেকে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালিত হয়ে আসছে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে জাতীয়ভাবে বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে ২০১০ সাল থেকে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, জাতীয় পুষ্টিসেবা, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে, বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশন (বিবিএফ) ও অন্যান্য সহযোগী সংস্থার সহযোগিতায় বাংলাদেশে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালন করা হয়ে থাকে।

চিকিৎসকদের মতে, শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানোর কোনো বিকল্প নেই। জন্মের ১ ঘণ্টার মধ্যে শিশুকে মায়ের দুধ দিলে মায়ের গর্ভফুল তাড়াতাড়ি পড়ে, সহজে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়। ফলে মা রক্তস্বল্পতা থেকে রক্ষা পান। এছাড়াও দ্রুত দুগ্ধপানে মায়ের জন্ম বিরতিতে সাহায্য করে, স্তন ও জরায়ুর ক্যান্সার এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায়।

মাতৃদুগ্ধ পান শিশুর সর্বোচ্চ শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করে। এছাড়া, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়, ডায়রিয়ার ঝুঁকি কমায়, শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ এবং কানের প্রদাহ কমায়। একইসঙ্গে দাঁত ও মাড়ি গঠনে সহায়তা করে থাকে।

মায়ের দুধ না খাওয়ালে শিশুর নিউমোনিয়াজনিত মৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় ১৫ গুণ ও ডায়রিয়ায় মৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় ১১ গুণ বেড়ে যায়। শিশুদের অপুষ্টি ও অন্যান্য কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় ১৪ গুণ বেড়ে যায়। শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ও বুদ্ধির বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।