ঢাকা, মঙ্গলবার ১০, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:৪৮:০২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
৫০তম বিসিএসের ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ১২৩৮৫ রয়টার্স: ক্ষমতার দোরগোড়ায় তারেক রহমান বোরকা ব্যবহার করে জাল ভোটের শঙ্কা, দায় নিতে হবে ইসিকে: বিএনপি বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য হটলাইন চালু নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের ঢল শ্রীমঙ্গলে ৯.৬ ডিগ্রি তাপমাত্রা, শীতে কাবু জনজীবন সারা দেশে সভা-মিছিল নিয়ে নতুন নির্দেশনা ইসির

মাইজদীতে একসঙ্গে ৪ সন্তান প্রসব

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:০৫ পিএম, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ রবিবার

নোয়াখালীর মাইজদীতে একসঙ্গে ৪ সন্তান প্রসব

নোয়াখালীর মাইজদীতে একসঙ্গে ৪ সন্তান প্রসব

নোয়াখালীর মাইজদীতে একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম দিয়েছেন নাছরিন আক্তার বৃষ্টি (২৬) নামে এক প্রসূতি। শনিবার সন্ধ্যায় শহরের গুডহিল কমপ্লেক্স হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে তিনি চার সন্তানের জন্ম দেন।

এ ঘটনায় ওই নারীর পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। নবজাতকগুলো অপরিণত (সময়ের আগে জন্ম) ও ওজনে কম হওয়ায় শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখা দিলে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা শিশু হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন হাসপাতালের শিশু চিকিৎসক কর্ণজিৎ মজুমদার।

প্রসূতির দুলাভাই ইউছুফ সুমন ও বড় ভাই মো. আজাদ জানান, নোয়াখালী পৌরসভার উজ্জলপুর এলাকার কাতার প্রবাসী মো. মোহন ও তার স্ত্রী নাছরিন আক্তার বৃষ্টির সংসারে মুন নামে পাঁচ বছর বয়সী একটি মেয়ে আছে। শনিবার দুপুরে বৃষ্টির প্রসব ব্যথা উঠলে তাকে দ্রুত জেলা শহরের গুডহিল কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে সন্ধ্যার দিকে ডা. লুৎফুন নাহারের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালের চিকিৎসক ও সেবিকারা নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে তার চারটি সন্তান প্রসব করান।

ইউছুফ সুমন আরও জানান, প্রথমে বৃষ্টি একটি কন্যা সন্তান প্রসব করেন। এর পর আরও তিন ছেলে প্রসব করেন বৃষ্টি। সন্তান প্রসবের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সবাইকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

হাসপাতালের শিশু চিকিৎসক কর্ণজিৎ মজুমদার জানান, নবজাতকদের স্বাভাবিক ওজন আড়াই কেজি হয়ে থাকে। কিন্তু এই চার নবজাতকের ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় তাদের শারীরিক সমস্যা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে শ্বাসকষ্টে ভুগছে শিশুগুলো।

নবজাতকগুলোর ওজন ১ কেজি ২৫০ গ্রাম থেকে দেড় কেজির মধ্যে হওয়ায় তাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে। যার কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা শিশু হাসপাতালে নেওয়ার জন্য স্বজনদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান এই চিকিৎসক।