ঢাকা, বুধবার ২৫, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৪:২২:১৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
শিক্ষকের অভাবে পাহাড়ে মাতৃভাষায় শিক্ষা ব্যাহত ব্রুকের সেঞ্চুরিতে বিজয়ী হয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড বইমেলা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ঈদের ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ ১০ মার্চ থেকে ১৪ উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ, মাসে ২,৫০০ টাকা ১০ হাজার শিক্ষার্থী পাবে ভাষা ও কারিগরি দক্ষতা

মানুষের আবেগ বুঝতে পারে পোষা মুরগি!

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৩২ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

একাকিত্বের সময় পোষা প্রাণীর সঙ্গ অনন্য এক মানসিক সান্ত্বনা দিতে পারে। কানাডার মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক সোনিয়া কং এই বিষয়টিকে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। তিনি দেখান, কিভাবে পোষা প্রাণীর সঙ্গে সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

অধ্যাপক সোনিয়ার নিজেরও একটি পোষা প্রাণী আছে, যা তার মানসিক চাপ সামলাতে বিশেষভাবে কার্যকর। তবে এটি অন্যদের মতো নয়—সোনিয়ার পোষা প্রাণী একটি মুরগি।

তিনি জানান, দৈনন্দিন জীবনে আবেগ সামলাতে মুরগিটি তাকে দারুণভাবে সাহায্য করে। সিবিসি নিউজকে তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, সে খুবই বুদ্ধিদীপ্ত। সে আমার আবেগ বুঝতে পারে।”

সোনিয়ার পোষা মুরগিটি ১১ মাস বয়সী। ব্রিটিশ কলম্বিয়ার প্রিন্স জর্জের কাছের একটি খামার থেকে মুরগিটি তিনি আনেন এবং নাম রেখেছেন ‘স্যাটার ডে’। তিনি বলেন, “যখন আমার মন খারাপ থাকে, সে আমার পাশে বসে থাকে, আমাকে দেখে। হয়তো সে বোঝার চেষ্টা করে যে আমার মনে ঠিক কী চলছে। হয়তো বলতে চায়, ‘কেন তুমি কাঁদছ?’ আমার কাছে এটা অনেক কিছু।”

শহরে ঘুরে বেড়ানোর সময়ও সোনিয়া ‘স্যাটার ডে’-কে সঙ্গে রাখেন। এ জন্য তিনি বিশেষ ধরনের ডায়াপার ব্যবহার করেন, যাতে মুরগির স্বাচ্ছন্দ্য বজায় থাকে।

সোনিয়া বর্তমানে নর্দার্ন ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক ও মানসিক বিকাশে পোষা প্রাণীর প্রভাব নিয়ে একটি অনলাইন জরিপ পরিচালনা করছেন। এই গবেষণাটি তিনি হংকংয়ের চাইনিজ ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ট্রেসি ওয়ংয়ের সঙ্গে যৌথভাবে করছেন।

পরিবারও এখনও সোনিয়ার নতুন পোষা প্রাণীর ধারণার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। মাঝেমধ্যেই মা-বাবা মজা করে তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, মুরগিটি খেয়ে ফেলার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না।

সোনিয়া কং এ বিষয়ে বলেন, “আমি বলি, আমি এমনটা কখনো করব না। সে আমার পোষা প্রাণী। তারা আমার সঙ্গে মজা করেন, আর এটাই সাংস্কৃতিক পার্থক্য বা সাংস্কৃতিক মতভেদ।”

এই হৃদয়স্পর্শী সম্পর্ক প্রমাণ করে, পোষা প্রাণী শুধু একাকিত্ব দূর করে না, বরং মানুষের আবেগ বোঝার ক্ষমতাও রয়েছে। ‘স্যাটার ডে’–এর মতো পোষা প্রাণী মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাথি হতে পারে। 

তথ্যসূত্র : নিউইয়র্ক পোস্ট